আপন নিউজ রিপোর্টঃ
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আলহাজ্ব মো: জসিম উদ্দিন মৃধা' মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা আলমগীর ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক ও কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ এবি এম মোশাররফ হোসেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সহ দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় বিএনপির মহাসচিব বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর নীতি ও আদর্শ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দর্শনের গভীরভাবে বিশ্বাসী মরহুম আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন মৃধা কলাপাড়া পৌর বিএনপিকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছেন।
এছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পূণঃরুদ্ধারের আন্দোলন-সংগ্রামে তার সাহসী ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়।
দোয়া করি মহান রাব্বুল আলামীন যেন তাঁকে বেহেস্ত নসীব এবং শোকার্ত ও পরিবারবর্গ কে এই মৃত্যু শোকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।
মরহুম আলহাজ জসিম উদ্দিন মৃধা'র বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।
আলহাজ মো: জসিম উদ্দিন মৃধার আকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক ও কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ এবি এম মোশাররফ হোসেন। তিনি এক শোকবার্তায় লেখেছেন, কত আর কষ্ট সহ্য করা যায়? একটার পর একটা দুঃসংবাদ। হারানোর বেদনা কত কষ্টদায়ক যে হারায় সে বুঝতে পারে। করোনা কালীন সময়ে হারিয়েছে অধ্যাপক নুর বাহাদুর, চেয়ারম্যান জামান খলিফা, মহিউদ্দিন সবুজ তালুকদার, এ্যাড. হাবিবুর রহমান, রাঙ্গাবালীর জাহাঙ্গীর হোসেন আকন সর্বশেষ পৌর বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক ঘনিষ্ট বন্ধু আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন মৃধা।
জসীম যেমন দলের নেতা ছিল তেমনি ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।সুখ-দুঃখে ছিল পাশাপাশি। প্রচন্ড আবেগ ও ভালবাসা ছিল দলেরপ্রতি,নেতাকর্মীদের প্রতি। তাঁর অকালে চলে যাওয়া সত্যিই আমি ব্যক্তিগত ভাবে হারিয়েছি নির্ভরশীল,দায়িত্বশীল বন্ধু।
জসীম তুমি ভালো থাকিস ওপারে, আল্লাহ নিশ্চয়ই বেহেশত দান করবেন।
উল্লেখ্য, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ মো: জসিম উদ্দিন মৃধা (৫৫) রোববার (২০ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি-----রাজিউন)। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে, দুই ছেলে রেখে গেছেন। সোমবার বেলা ১১ টায় ধানখালী গ্রামের বাড়ি প্রথম নামাজে জানাজা এবং জোহর নামাজ বাদ এতিমখানা জামে মসজিদ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে এতিমখানা পৌর গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।