আমতলী প্রতিনিধি।। আমতলীতে চলাচলের দরজা বন্ধ করে দেয়ায় প্রতিবশেী জালাল খাঁন ও তার লোকজন খলিল গাজী ও তার পরিবারের ছয় সদস্যকে বেধরক মারধর, ৩ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা কর্তন, ঘরের মালামাল ও পুকুরের মাছ লুট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহত ছয়জনকে স্বজনরা উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার সকালে উপজেলার পুর্ব কুকুয়া গ্রামে।
জানাগেছে, উপজেলার পুর্ব কুকুয়া গ্রামের খলিল গাজী ও জালাল খানের মধ্যে বাড়ীর চলাচলের দরজা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। শুক্রবার জালাল খান তার চলাচলের দরজা বন্ধ নিয়ে খলিল গাজীর সাথে ঝগড়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জালাল খান, জনি, বশির ও বেল্লালসহ তার ১৫-২০ সহযোগী খলিল গাজীর ও তার পরিবারের উপর হামলা চালায়। এতে বাঁধা দিলে খলিল গাজী, তার স্ত্রী ময়না, মেয়ে মীম, ছেলে সাকিল, শ্বশুর সোবাহান গাজী ও শ্বশুরী হেমেলাকে তারা বেধরক মারধর করে। পরে তারা ওই বাড়ীর ৩ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলে এবং ঘরের মালামাল ও পুকুর কেটে মাছ লুট করে নিয়ে যায় এমন অভিযোগ খলিল গাজীর। মুমুর্ষ অবস্থায় খলিল গাজী ও তার শ্বশুর সোবাহান গাজীসহ আহতদের স্বজনরা উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, জালাল খাঁন ১৫-২০ জন লোক নিয়ে খলিল গাজী ও তার পরিবারের লোকজনকে মারধর করে। তারা আরো বলেন, ওই বাড়ীর বেশ কিছু গাছ কেটে ফেলেছে। ঘরের মালামাল, পুকুর ও ঘেরে কেটে মাছ লুট করে নিয়েছে।
আহত খলিল গাজী বলেন, আমার জমির উপর দিয়ে জালাল খান জোরপূর্বক তার বাড়ীর দরজা নিয়েছে। এতে আমি বাঁধা দিলে জালাল খান, জনি, বশির ও বেল্লালসহ ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী আমার পরিবারের ছয়জনকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে। তিনি আরো বলেন, তারা আমার বাড়ীর বিভিন্ন প্রজাতির ৩ শতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে ঘরের মালামাল ও পুকুরের মাছ লুট করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
অভিযুক্ত জালাল খাঁন ঘর ও পুকুরের মাছ লুটের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার চলাচলের দরজা বন্ধ করে দেয়ায় সামান্য মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সেলিম মিয়া বলেন, গুরুতর আহত খলিল গাজী, সোবাহান গাজীসহ ছয়জনকে যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
আমতলী থানার ওসি মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।