আমতলী প্রতিনিধিঃ কৃষক রাসেল মীরকে সন্ত্রাসীরা পিটিয়ে ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হত্যার উদ্দেশ্যে হাত-পা বেধে নদীতে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করেন সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় অল্পের জন্য রক্ষা পায় সে এমন অভিযোগ আহত রাসেল মীরের। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আমতলী উপজেলার ঘোপখালী গ্রামে।
জানাগেছে, উপজেলা ঘোপখালী গ্রামের কৃষক রাসেল মীর বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে সার-ঔষধের বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে ঘোপখালী স্ট্যান্ডে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে সন্ত্রাসী শাওন বেগ, রানা হাওলাদার, বেল্লাল তালুকদার ও নাঈম কৃষক রাসেল মীরকে ধরে পশুরবুনিয়া নামক স্থানে পায়রা নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। ওইস্থানে নিয়ে তাকে পিটিয়ে গুরুতর যখম করে এবং তার সাথে থাকা ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে পায়রা নদীতে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করে এমন অভিযোগ রাসেলের। কিন্তু স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় সে রক্ষা পায়। তার ডাক চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
মনির ও শহীদুল বলেন, রাসেল মীরের ডাক চিৎকারে আমরা ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আমরা না আসলে রাসেলকে সন্ত্রাসীরা নদীতে ফেলে দিতো।
আহত রাসেল মীর বলেন, আমি সার-ঔষধের বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে ঘোপখালী স্ট্যান্ডে যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে শাওন বেগ, রানা হাওলাদার, বেল্লাল তালুকদার ও নাঈম আমাকে ধরে পায়রা নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। ওইখানে নিয়ে পিটিয়ে আমার সাথে থাকা ২৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীরা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে পায়রা নদীতে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করে। আমার ডাক চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলে আমি প্রাণে রক্ষা পাই। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক হিমাদ্রী রায় বলেন, আহত রাসেল মীরের শলীরের বিভিন্ন স্থানে যখমের চিহৃ রয়েছে। তাকে যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
আমতলী থানার ওসি রনজিৎ কুমার সরকার বলেন, অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।