আমতলী প্রতিনিধিঃ মিথ্যা মামলা থেকে ১৫ ছাত্রলীগ,যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ ও আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবীতে আমতলীতে মানববন্ধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সহ¯্রাধীক নেতা-কর্মী তাদের মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছেন।
জানাগেছে, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমানের ভাগ্নে মোঃ আবুল কালাম আজাদকে গত ২১মে শুক্রবার রাতে মাইঠা এলাকায় দুর্বূত্ত্বরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ ঘটনায় ২১ দিন পর গত ১২ জুন আহত আজাদ বাদী হয়ে পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জিএম মুছা, তার বড় ভাই উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জিএম হাসান ও সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন খানসহ ১৫ জন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, পৌর আওয়ামীলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গত ৭ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন আসামীরা। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বরগুনা দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়। ওই আদালতের বিচারক তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর বরগুনা সিআইডি পুলিশ আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ সাকিব হোসেন রিমান্ড শুনানী শেষে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার পুলিশ রিমান্ড শেষে আসামীদের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাদের মুক্তির দাবীতে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সহ¯্রাধীক নেতা-কর্মী মানববন্ধন করেছে। পৌর যুবলীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট আরিফ-উল-হাসান আরিফের সভাপতিত্বে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগ দপ্তর সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন ফকির, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মোঃ আবুল হোসেন বিশ্বাস, আওয়ামীলীগ নেতা সামসুল হক গাজী, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ দেওয়ান, যুবলীগ নেতা কবির হোসেন হাওলাদার ও সোহেল রানা প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মামলার দাবী আজাদের একটি ভিডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, আমাকে (আজাদ) উপজেলা মাহেন্দ থ্রি-হ্ইুলার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ জহিরুল খোকন মৃধা লাথি মেরে আমার মৃত্যু নিশ্চিত করে কাউন্সিলর রিয়াজকে জানাতে বলেছেন যে আমরা সাকসেস কিন্তু তাদের আসামী না করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য নিরাপরাধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা কর্মীকে আসামী করা হয়েছে। এমন মিথ্যা ও হয়রানীমুলক মামলা থেকে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ ও সেচ্ছাসেবকলীগ নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবী জানিয়েছেন বক্তারা।