আপন নিউজ অফিসঃ কলাপাড়া হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে করতে অতিরক্ত টাকা দিতে হচ্ছে সাধারণ রোগীদের। অনেক সময় হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম বিভিন্ন অজুহাতে এক্স-রে করছে না, রোগীরা কোন উপায় না পেয়ে হাসপাতালের বাইরে থেকে এক্স-রে করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে মোটা অংকের কমিশন যাচ্ছে তার পকেট। সরকারি নিয়ম কারণ তোয়াক্কা না করে রোগীদের কাছ থেকে অতিরক্ত টাকা নিয়ে যাচ্ছে।
কলাপাড়া হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে করতে সরকারি নিয়ম হলো ২০০ টাকা অথচ তিনি এ নিয়ম তোয়াক্কা না করে ২৫০/৩০০ টাকা করে নিয়ে থাকে।
বুধবার (১৬ মার্চ) বেলা ১১ টায় সরেজমিনে ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার গ্রামগঞ্জে থেকে আসা সাধারণ রোগীরা এই হাসপাতালটিতে আসেন। এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে বাংলাদেশে সরকার কলাপাড়া হাসপাতালে ডিজিটাল এক্সরে যন্ত্র স্থাপন করেন। আর এই অঞ্চলের সাধারণ রোগীরা সরকারিভাবে এক্স-রে করাতে পেয়ে অনেক খুশি। অথচ সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা না করে হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়। কেউ প্রতিবাদ করলে এক্সরে করান না তিনি। রোগীরা কোন উপায় না পেয়ে হাসপাতালের বাইরে থেকে এক্স-রে করতে বাধ্য হয়। ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে মোটা অংকের কমিশন যাচ্ছে তার পকেট।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে, তবে ৩০০ টাকা না, ২৫০ টাকা করে নেয়া হয়। আপনার সাথে আমার ভালো সম্পর্ক, আপনি এ নিউজ করতে পারেন না।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলদার বলেন, এক্স-রে করতে ২০০ টাকা, এর বাইরে অতিরিক্ত কোন টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।