আমতলী প্রতিনিধিঃ আমতলী উপজেলা আঠারোগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী মোসাঃ মাজেদা বেগম প্রস্তাবকারী মোঃ কালাম সিপাইর স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ করেন প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী মোসাঃ শিমুল আফরোজ। প্রিজাইটিং অফিসার সৈয়দ ফারুক হোসেন ওই মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে অবৈধ ঘোষনা করেছেন। সোমবার এ অবৈধ মনোনয়নপত্র বৈধ করতে মাজেদা বেগম এবং শিমুল আফরোজ অবৈধ মনোনয়নপত্র বৈধ না করতে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানাগেছে, উপজেলার আঠারোগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে গত ৩ মার্চ প্রিজাইডিং অফিসার সৈয়দ ফারুক হোসেন তফসিল ঘোষনা করেন। ওই স্কুল নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে মোসাঃ শিমুল আফরোজ ও মাজেদা বেগম গত ১৪ মার্চ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। প্রিজাইডিং অফিসার সৈয়দ ফারুক হোসেন গত ১৫ মার্চ ওই মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করেন। যাচাই বাছাই কালে অভিযোগ উঠে মাজেদা বেগম তার মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবকারী মোঃ কামাল সিপাই স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ওই প্রস্তাবকারীর স্বাক্ষর প্রিজাইডিং অফিসার যাচাই বাছাই করেন। তিনি প্রস্তাবকারীর স্বাক্ষর জালের সত্যতা পান। পরে মাজেদা বেগমের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষনা করেন। সোমবার এ অবৈধ মনোনয়নপত্র বৈধ করতে মাজেদা বেগম এবং শিমুল আফরোজ অবৈধ মনোনয়নপত্র বৈধ না করতে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী মোসাঃ শিমুল আফরোজ বলেন, প্রস্তাবকারীর জাল স্বাক্ষরের অভিযোগে প্রিজাইডিং অফিসার মাজেদা বেগমের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষনা করেছেন। ওই অবৈধ মনোনয়নপত্র বৈধ করতে মাজেদা বিভিন্ন ভাবে পায়তারা চালাচ্ছেন।
মনোনয়নপত্র অবৈধ হওয়া মাজেদা বেগম প্রস্তাবকারীর স্বাক্ষর জালের কথা অস্বীকার করে বলেন, মনোনয়নপত্র বৈধতা ফিরে পেতে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আপিল করেছি।
প্রিাজাইডিং অফিসার উপজেলা যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক হোসেন বলেন, মনোনয়নপত্রে মাজেদা বেগম প্রস্তাবকারী কালাম সিপাইয়ের স্বাক্ষর জাল করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রস্তাবকারীর স্বাক্ষর জালের সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।