আমতলী প্রতিনিধি।। পরিবারের সকলকে বেঁধে মারধর শেষে ঘরে থাকা নগদ ১০ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ও স্বর্নালংকার ডাকাতি করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ইলিয়াস খাঁন এমন অভিযোগ করেন। স্বজনরা আহতকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।
ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার পশ্চিম চিলা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল কাদের খাঁনের বাড়ীতে রবিবার গভীর রাতে।
জানাগেছে, উপজেলার পশ্চিম চিলা গ্রামের আব্দুল কাদের খাঁনের বাড়ীর গ্রীল কেটে ৭-৮ জনের ডাকাতদল ঘরে প্রবেশ করে। পরে বৃদ্ধ আব্দুল কাদের খাঁন ও তার স্ত্রী রুবি বেগমকে বেঁধে ফেলে। তাদের ডাক চিৎকারে ছেলে ইলিয়াস খাঁন তার কক্ষ থেকে বের হওয়া মাত্রই ডাকাতরা তার মাথায় ধারালো অস্ত্র নিয়ে আঘাত দেয় এবং এলোপাথারি মারধর করে। পরে তাকেও বেঁধে ঘরের আলমিরা ও সুটকেজে থাকা নগদ দশ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ও ৭ ভরি স্বর্নালংকার নিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্বজনরা ওই রাতেই গুরুতর আহত ইলিয়াসকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। সোমবার আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আহত ইলিয়াস খাঁন বলেন, বাবা মায়ের ডাক চিৎকার শুনে কক্ষ থেকে বের হওয়া মাত্রই ৭-৮ মুখোশধারী ডাকাত দলের মধ্যে থেকে একজন আমার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত দেয় এবং এলোপাথারী মারধর করে। পরে আমাকে বেঁধে ঘরের মেঝে শুইয়ে রাখে এবং আমার শিশু সন্তানকে হত্যার হুমকি দিয়ে কোথায় টাকা ও স্বর্নালংকার রেখেছি তা জানতে চায়। তিনি আরো বলেন, তারা আমার কক্ষে থাকা সুকেজ ভেঙ্গে নগদ সাত লক্ষ ৮০ টাকা, বাবার আলমিরা ভেঙ্গে দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং ৭ ভরি স্বর্নালংকার লুট করে নিয়ে গেছে। ডাকাতদল আমার বৃদ্ধ বাবা ও মাকে মারধর করেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মিনহাজুর রহমান বলেন, আহত ইলিয়াসের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তাকে যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।