চঞ্চল সাহা: কুয়াকাটায় শিক্ষামন্ত্রী ডা.দিপুমনির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা একটি মানবিক আবেদন করেছে। গত ১৬ এবং ১৭ অক্টোবর কুয়াকাটার শিকদার রির্সোটে দু’দিনের একটি কর্মশালায় যোগদান কালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা ’মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজকে’ জাতীয়করন করতে এ ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় আবেদনটি করেন। শিক্ষামন্ত্রী ডা.দিপুমান আবেদনটি প্রধানমন্ত্রী বরাবরে পৌঁছে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
আবেদনে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে সাবেক পটুয়াখালী জেলা কমান্ডার মো.আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে স্মরনীয় করে রাখতে ২০০০ সালে কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার অধিনে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে কলেজটি ২২ বছর অতিক্রমের পথে। কলেজটি বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের অধিনে এইচ,এস,সি পাশের হারে চারবার টপ টেনে স্থান করে নিয়েছিল। কলেজটি প্রতিবছরই ভাল ফলাফল করে আসছে। ইতোমধ্যে সরকার বীর খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নামের কলেজ গুলো জাতীয়করনের আওতায় নিয়ে এসেছে। অথচ, মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজটি দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে করা হলেও এখনও পর্যন্ত কলেজটি জাতীয়করন করা হয়নি। কলেজটি অচিরেই জাতীয়করনের আওতায় নিতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন ওই মুক্তিযোদ্ধারা।
এ ব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষ মো.কালিম উল্লাহ জানান, কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে একটি কুচক্রী মহল কলেজের নামটি মুছে ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র করে আসছিল । স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সজাগ দৃষ্টিতে তাদের সেই ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বর্তমানে কলেজটি সরকারীকরন জরুরী বলে তিনি মন্তব্য করেন।