আপন নিউজ, কলাপাড়া অফিসঃ আগামী ১৬ মার্চ কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকা মার্কার প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় ঘোড়া মার্কার সমর্থকের দুই নারীসহ ৬ জন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৮নং ওয়ার্ডের গোলের পাড় এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম ওয়ালিউল্লাহ্ (নান্নু সিকদার)-এর বোন দুই বারের নির্বাচিত মহিলা মেম্বার শাহানারা বেগম শানুর (৩৮), ভাগ্নী মুক্তা বেগম (৩৬) সহ রিফাত, সিফাত ও মামুন শিকদার। এসময় প্রার্থী ওয়ালিউল্লাহ্ (নান্নু শিকদার)-কেও লাঠি দিয়ে আঘাত করেন নৌকা মার্কার সমর্থকরা।
ঘোড়া মার্কার স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ওয়ালিউল্লাহ (নান্নু শিকদার) বলেন, ‘সকালে গোলের পাড় গ্রামে আমার ঘোড়া মার্কার প্রচার প্রচারণা করতে গেলে নৌকা মার্কার সমর্থক রিয়াজ মৃধার নেতৃত্বে প্রায় ২০/২৫ জন লোক নিয়ে প্রথমে আমার সমর্থকদের গালিগালাজ শুরু করে। তখন আমার বোন শাহানারা তাদের থামতে বললে ওর ওড়না ধরে টান দিতে যায়, তখন আমার ছেলে রিফাত প্রতিবাদ করতে গেলে রিফাত ও আমার সমর্থকের উপর লাঠি দিয়ে পিটাতে শুরু করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় আমার বোন শাহানারা বেগমকে চিকিৎসার জন্য কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।’
নান্নু শিকদার আরো বলেন, ‘ডিসি স্যার বলছিলেন সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিবেন, তবে এখন তো নৌকার প্রার্থী ও সমর্থকরা আমার কর্মীদের উপর প্রতিদিন প্রচার প্রচারণায় বাঁধা দেয় এবং হামলা করে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করবো তারা যেন একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করে।’
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ দেলওয়ার হোসেন শিকদার বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজনের উপর আমার সমর্থকরা আগে হামলা করেনি, উল্টো তারাই আমাদের সমর্থকদের উপর হামলা করে। যাতে ৮নং ওয়ার্ডের শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল আহত হন।’
মহিপুর থানার এসআই আসাদ জানান, ২নং ওয়ার্ডে সমস্যা থাকার কারণে গোলের পাড় গ্রামে যেতে সময় লাগে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।