প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ৩১, ২০২৬, ৩:১৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ১০, ২০২৩, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
তালতলীতে উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় মামলা
আমতলী প্রতিনিধিঃ তালতলী উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর লুটপাটের ঘটনার মামলা হয়েছে। রবিবার রাতে তালতলী থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মাসুম মোল্লা নামের এক ব্যক্তি মামলা দায়ের করেন। এর আগে গত শনিবার বিকালে তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজবি উল কবির জোমাদ্দারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ হামলা করা হয়। এ ঘটনার বাদি মাসুম মোল্লা গুরুতর আহত হন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মালিপাড়া এলাকায় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের শান্তি সমাবেশ ও বিএনপির গণ-অবস্থান চলাকালে দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একপর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের পায়রা ট্রেডার্স নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতৃবৃন্দ অবস্থান নেয় । এসময় হামলাকারীরা ঐ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে প্রথমে সিসিটিভি ভেঙ্গে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে থাকা সহকারী ম্যানেজার মাসুম মোল্লাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ক্যাশবক্স থেকে নগদ ৪৫ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন মালামালের ক্ষয়ক্ষতি করে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এতে আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরে স্থানীয়রা আহত মাসুমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মাসুম মোল্লা বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫-১৬ জনকে অজ্ঞাত নামা করে একটি মামলা দায়ের করেন। উপজেলা বিএনপি আহবায়ক শহিদুল হক, যুবদল নেতা ছগির হোসেনসহ ১২ জনের নাম মামলায় উল্লেখ করা হয।
উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সহকারী ম্যানেজার ও মামলার বাদি মাসুম মোল্লা বলেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুই দলের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কিছু লোক প্রবেশ করেন। এরপরে হামলাকারীরা আমার দোকানের শাটার ধাক্কাধাক্কি করেন ও সিসিটিভি ভেঙ্গে ফেলে । পরে আমি শাটার খুলে বাহিরে বের হলে তারা আমাকে কুপিয়ে যখম করে ভেতরে ঢুকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।এসময় নগদ ৪৫ হাজার টাকা ও বিভিন্ন মালামাল নষ্ট করে ফেলে রেখে যায়। আমি হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে গতকাল রাতে থানায় মামলা দেই।
এবিষয়ে অভিযুক্ত উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শহিদুল হকের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, হামলার ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে পুলিশ।