আমতলী প্রতিনিধিঃ সড়ক দুর্ঘটনা আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।য় নিহতের ১৯ বছরেও নির্মাণ করা হয়নি কামরুজামান স্মৃতি চত্ত¡র। একই স্থানে স্কুল ছাত্র কামরুজ্জামান ও ছাত্রী লামিয়াসহ চারজন নিহত হলেও টনক নড়েনি সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষের।এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রæত আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের একে স্কুল চৌরাস্তায় কামরুজ্জামান চত্ত¡র নির্মাণের দাবী সাধারণ মানুষের।
জানাগেছে, ২০০৪ সালের ২১ ফেরুয়ারী আমতলী একে পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র কামরুজ্জামান রাস্তা পাড় হতে গিয়ে একে স্কুল চৌরাস্তায় সড়ক দুর্ঘটনার নিহত হয়। এ ঘটনায় ফুসে উঠে বিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ। তাৎক্ষনিক স্কুল ছাত্র ও সাধারণ মানুষ স্কুল ছাত্র কামরুজ্জামান হত্যার বিচার দাবীতে সড়কে আন্দোলনের ডাক দেন। ব্যহত হয় যান চলাচল। তৎকালিন সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান তালুকদার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আন্দোলন থেকে সরে আসে ছাত্র ও জনতা। ওই সময় সাংসদ মতিয়ার রহমান তালুকদার ও সড়ক জনপথ কর্তৃপক্ষ মহাসড়কের একে স্কুল চৌরাস্তায় কামরুজ্জামান চত্ত¡র নির্মাণের ঘোষনা দেন এবং ফলক উন্মোচন করেন। ওই ঘটনার ১৬ বছর পরে অর্থ্যাৎ ২০২০ সালে ২৫ জানুয়ারী একই স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের গৃহবধু নুপুর, তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী লামিয়া ও ছেলে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র নিশাত নিহত হয়। তখনও ওই স্থানে চত্ত¡র নির্মাণের দাবী ওঠে। কিন্তু সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কামরুজ্জামান নিহতের ১৯ বছর পেরিয়ে গেলেও আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের একে স্কুল চৌরাস্তায় কামরুজামান স্মৃতি চত্ত¡র নির্মাণ করা হয়নি। চত্ত¡র নির্মাণ না করায় একে স্কুল চৌরাস্তায় অহরহ দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। দ্রæত একে স্কুল চৌরাস্তা চত্ত¡র নির্মাণের দাবী সাধারণ মানুষের।
নিহত কামরুজ্জামানের বড় ভাই নান্নু আক্ষেপ করে বলেন, ভাইকে হারালাম বিচার পর্যন্ত পাইনি। ভেবেছিলাম ভাইয়ের নামে একে স্কুল চৌরাস্তায় চত্ত¡র হবে। এতে অনেক মানুষের প্রাণ রক্ষা পাবে। কিন্তু কিছুই হলো না। উল্টো সড়ক ও জনপথ বিভাগ ভাইয়ের নামে নির্মিত ফলক উঠে ফেলেছে। দ্রæত চত্ত¡র নির্মাণের দাবী জানান তিনি।
আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের একে স্কুল চৌরাস্তায় চত্ত¡র নির্মাণের দাবী বহু বছরের। কিন্তু সড়ক ও জনপথ বিভাগকে বলা সত্তে¡ও তারা চত্ত¡র নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছে না। দ্রæত একে স্কুল চৌরাস্তায় চত্ত¡র নির্মাণের দাবী জানান তিনি।
পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশনী এমএ আতিক উল্লাহ বলেন, মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা পেলে ওই স্থানে গোল চত্ত¡র নির্মাণ করা হবে।