
আমতলী প্রতিনিধিঃ আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের ভুমি দস্যু আশ্রাব আলী মৃধা তার নিজের অপকর্ম আড়াল করতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষ ওয়াদুদ মৃধা ও তার পরিবারকে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরিবার ভুক্তভোগী ওয়াদুদ মৃধার স্ত্রী মোসাঃ খুকি বেগম এমন অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চা ল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেছেন।
জানাগেছে, উপজেলার কালিবাড়ী গ্রামের ওয়াদুদ মৃধার স্ত্রী মোসাঃ খুকি বেগম ২০২৩ সালে মোস্তাফা কামালের নিকট থেকে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ওই জমিতে তারা ঘর তুলে বসবাস করেন। কিন্তু প্রতিবেশী ভুমিদস্যু আশ্রাফ আলী মৃধা ওই জমি নিজের দাবী করে কিছু অংশ দখল করে রাখেন। গত বুধবার রাতে আশ্রাব আলী মৃধা প্রতিবেশী ওয়াদুদ মৃধার জমি ভোগ দখলে রাখতে পরিকল্পিতভাবে বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাটের নাটক সাজায় বলে অভিযোগ করেন খুকি বেগম। ওই রাতের ঘটনা নিয়ে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিথ্যা ডাকাতি মামলা দায়ের করেছে। খুকি বেগমের অভিযোগ জমি ভোগদখল করতেই আশ্রাব আলী মৃধা ডাকাতি মামলা সাজিয়ে আমাদেরকে হয়রানী করছে।
ইউনুস আলী খান ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ইউনুস আলী খান বলেন, মোস্তফা কামালের ১৬ শতাংশ জমি ওয়াদুদ মৃধার স্ত্রী খুকি বেগম ক্রয় করেন। কিন্তু ওই জমি প্রতিবেশী আশ্রাব আলী মৃধা জোরপুর্বক দখল করে রেখেছেন। এ বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠক হয়েছে কিন্তু আশ্রাব আলী মৃধা শালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত মানেননা।
খুকি বেগমের স্বামী ওয়াদুদ মৃধা বলেন, আশ্রাব আলী মৃধা তার অপকর্মে আড়াল করতে আমার ও আমার পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ডাকাতি মামলা দিয়েছে। ঘটনার সময় আমি পরিবহন গাড়ী চালাতে ঢাকায় ছিলাম। তিনি আরো বলেন, আমার স্ত্রীর জমি আশ্রাব আলী মৃধা জোরপুর্বক দখল করে রেখেছেন। আমি এ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।
আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে বলেছি। অল্প দিনের মধ্যে কাগজপত্র দেখে বিষয়টি সমাধান করা হবে।