বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠুঃ কলাপাড়ায় জমি কিনে বিপাকে পড়েছে দুই ভাই গোলাম মোস্তফা ও গাউস মাতুব্বর। স্থানীয় নুরআলমের নেতৃত্বে গত ১০ ফেব্রুয়ারী জোড় পূর্বক তাদের ক্রয়কৃত ভ‚মি দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে প্রকাশ, ২০১২ সালে কলাপাড়া পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছামেদ আলীর অংশ থেকে জে,এল নং-৬ খেপুপাড়া ২১০ নং মৌজায় এস,এ ২১০ নং খতিয়ানের যাহার জমা খারিজ খতিয়ান নং-১৩০৩, দাগ নং-৩৩৭, জমির পরিমান ০.১৬৫০ একর জমি তারা দুই ভাই ক্রয় করেন। ২০১২ সাল থেকেই ওই জমিতে তিনটি টিনশেড ঘর নির্মাণ ও জমির চারপাশে আধাপাকা বাউন্ডারি দিয়ে বসবাস করে আসছেন। বর্তমানে তাদের নির্মিত ঘরে দুলাল ঘরামি নামের এক ব্যক্তি তাদের অনুমতিক্রমে বসবাস করেন। কিন্তু গত ১০ ফেব্রæয়ারী ওই এলাকার নুর আলম তার দলবল নিয়ে তাদের বাড়ির ভিতরে অনাধিকার প্রবেশ করে ঘর তৈরির চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় তার ভাই গাউস মাতুব্বর নুর আলম সহ তিনজনের নামে কলাপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে কলাপাড়া থানার এসআই শাহ আলম তদন্ত পূর্বক ঘটনার সত্যতা পেয়ে নুর আলমকে ঘর তোলা থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া তিনি উভয় পক্ষকে স্ব-স্ব কাগজপত্রসহ স্থানীয় আইনজীবী সহকারে সালিশ বৈঠকে বসার সময় দেন। কিন্তু নুর আলম বিভিন্ন তালবাহানা কথাবার্তা বলে সালিশ বৈঠকে না বসে ওই বাড়ি জবর দখলের চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে গত ১৭ ফেব্রæয়ারি নুর আলম তাদের বিরুদ্ধে মনগড়া কাল্পনিক ও মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করেন যা সম্পূর্ন ভিত্তিহীন।
গোলাম মস্তফা আরও বলেন, মূলত নুর আলমের পিতা আব্দুর রহিম জে,এল নং-০৬, খেপুপাড়া মৌজার এস,এ ২১০ নং খতিয়ানের ৮ টি সাব কবলা দলিলের মাধ্যমে ০.৯১ একর ভূমি বিক্রয় হস্তান্তর করেন। যা তার প্রাপ্ত সম্পত্তি হইতেও অনেক বেশি। কিন্তু বর্তমানে নুর আলম ওই খতিয়ানের ০.৬৬ একর জমি জোরপূর্বক দাবি করেন। বর্তমানে আব্দুর রহিমের বিক্রিত সকল জমি গ্রহীতাগন ভোগ দখলে আছেন। আব্দুর রহিমের সঙ্গে চুক্তিপত্র দলিল সৃষ্টির কারণে মাসুদ শিকদার নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে মহামান্য হাইকোর্টে একটি মামলার উদ্ভব হয়। উক্ত মামলার সঙ্গে তাদের ক্রয়কৃত ভূমির দাতাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই।
অভিযুক্ত নুর আলম জানান, নাচনাপাড়া এলাকায় ৬৬ শতক পৈত্রিক সম্পত্তিতে ৩০ বছর ধরে বসবাস করছি। আমার পিতা রহিম সিকদাররের সাথে স্থানীয় মাসুদ সিকদারের জমি থাকায় তার সাথে বহু বছর মামলা চলমান ছিল। মহামান্য হাইকোর্ট থেকে রায় প্রাপ্ত হইয়া আমরা শান্তিপূর্ন ভাবে ওই জমি ভোগ দখল করা অবস্থায় আমার পিতা মৃত্যুবরন করেন।