আপন নিউজ ডেস্কঃ গরমের তীব্রতা থেকে কিছুটা রেহাই মিললেও সমুদ্র উপকূলীয় কলাপাড়ায় লাগাতার একটানা বৃষ্টিতে জনজীবনে নেমেছে স্থবিরতা। চরম দুর্ভোগে পড়েছে সব শ্রেনী পেশার মানুষ। সবেচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন শ্রমজীবীরা। এছাড়া টানা বষ্টিতে নিচু স্থানে পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। তলিয়ে গেছে অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর। ভেসে গেছে এসব ঘের ও পুকুরের মাছ। এতে লোকসানে পড়েছেন মৎস্য চাষীরা। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এ বছরের সকল রেকর্ড ভেঙে কলাপাড়ায় সর্বোচ্চ ১৩৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
এদিকে অতিভারী বৃষ্টির সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পায়রাসহ সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব মাছধরা ট্রলারসমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
ব্যসায়ি হোসেন বলেন, বৃষ্টির করানে বাজারে লোকজন খুবই কম। শুধু মাত্র দোকান খুলেই বসে রয়েছি।
শ্রমজীবী আল আমিন হাওলাদার বলেন,বৃষ্টির কারণে কেউ কাজ করাতে চায় না। এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে সংসার চালানো দায় হয়ে যাবে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী সাংবাদিকদের জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টা অতিভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। সেই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় বজ্রবৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।