প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
কলাপাড়ায় চাঁদাবাজী ও হত্যার হুমকি, প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনায় শীর্ষক প্রকাশিত বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকায় গত ১৬ জুলাইসহ বিভিন্ন তারিখে প্রকাশিত রিপোর্টটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চান্দুপাড়া গ্রামের বাসীন্দা মো. জালাল হাওলাদার ও মনিরা বেগম দম্পতির ছেলে এনামুল হক চাদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের হুমকির মুখে পড়েছেন মর্মে প্রধান উপদেষ্টার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে পায়রা বন্দরে অধিগ্রহনে তাদের ক্ষতিপুরনের টাকা উত্তোলনের সময় একটি সংঘবদ্ধচক্র তাদেরকে চাদা দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করে। এ সম্পর্কিত কোন তথ্য প্রমাণ অভিযুক্তদের কাছে কাছে নেই। যা সম্পুর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন এবং সম্মানিত লোকদের আত্মসম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাঁদের সম্মান ক্ষুন্ন করতে পরিকল্পিত একটি কাল্পনিক মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ লিখে সাংবাদিকদের সরবরাহ করা হয়েছে। একই অভিযোগ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দাখিল করেছে। মূলত জমিজমার যৌথ মালিকানার বিরোধ সংক্রান্ত দেওয়ানী মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে অভিযোগকারী কোন খরচ দেয়নি। ওই খরচের টাকা চাইলে সে কাল্পনিক এই ঘটনা সৃষ্টি করে। এসংক্রান্ত কাগজপত্র আমাদের কাছে রক্ষিত রয়েছে। সে পাওনা টাকা আজ পর্যন্ত পরিশোধ করেনি। চান্দুপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হামেদ প্যাদার মেয়ে তাছলিমা জাহান নিপার অধিগ্রহনকৃত জমির ক্ষতিপুরনের পাঁচ লাখ টাকাও এনামুল হক নিজে ও তার বাবার নামে উত্তোলন করে। যার আমরা প্রতিবাদ করলে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তাদের সহায়তায় ওই টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়। এ কারণে ক্ষীপ্ত হয়ে উল্টো আমাদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাদা দাবি করে আসছে।
সংবাদের বিষয়টি আমরা কোন কিছুই অবগত নই। সম্পূর্ণভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি ভূমিদস্যু চাঁদাবাজ চক্রের যোগসাজশে এমন সম্মানহানির ঘটনা ঘটনানো হয়েছে। এনামুল হক প্রকৃতপক্ষে অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে দালালির মাধ্যমে হয়রানি করে আসছে। আমরা উপরোক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরাও এঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি। বর্তমানে অভিযুক্তরা আমাদের কাছে তাঁদের ভুল বুঝতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
ভুক্তভোগী মানুষের পক্ষে
মোঃ শাহদাৎ তালুকদার
মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।