সঞ্জিব দাস, গলাচিপাঃ গলাচিপা উপজেলার নদী ও খালগুলিতে ডুবোচরের কারণে নাব্যতা কমে যাওয়ায় নৌ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শুকনো মৌসুমে নদীজুড়ে ডুবোচরের উপস্থিতি নৌযান আটকে দিচ্ছে এবং নৌযানগুলোকে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হচ্ছে, যা সময় ও অর্থের অপচয় ঘটাচ্ছে। মেসার্স অমি শিপিং-এর এমভি নবনীতা লঞ্চের মাস্টার মো. সাহেদ সরদার জানান, আগুনমুখা, চরপাঙ্গাসিয়া, মাঝের চর ও রাঙ্গাবালীর চরনজির এলাকায় নাব্যতা সংকট বেশি। শুকনা মৌসুমে লঞ্চগুলোকে রাত ১০টায় পল্টুন থেকে এক দেড় কিলোমিটার দূরে রাখার পরই নিরাপদভাবে যাত্রা শুরু করা সম্ভব হয়। এমএল তোয়হোম-২ লঞ্চের স্টাফ মোহাম্মাদ ইমাম বলেন, নদীর স্রোত নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক ড্রেজিং না হলে সমস্যা কাটানো যাবে না। স্থানীয়রা জানান, রামনাবাদ চ্যানল, আগুনমুখা নদীর মোহনা ও চর কাজল এলাকায় নাব্যতা সংকট তীব্র আকার নিয়েছে। ছোট-বড় লঞ্চ ও ট্রলার প্রায়শই আটকে গিয়ে যাত্রী ও মালামালের দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। নাব্যতা সঙ্কট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পটুয়াখালী জেলা নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. শাহরিয়ার জানান, শুকনা মৌসুমে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গলাচিপা লঞ্চঘাটসহ সমস্যাযুক্ত জায়গাগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া বড় ড্রেজিংয়ের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।ঔ