এস এম আলমগীর হোসেনঃ অসহায়, প্রতিবন্ধী ও বিধবা মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে গাজী মমতাজ এন্ড দুলাল’স ফাউন্ডেশন। সম্প্রতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে চাল বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সামনে চালের প্যাকেট সাজিয়ে ফাউন্ডেশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইমাম আব্দুর রহমান, জুয়েল ইকবাল, গাজী মোহাম্মদ মেহেদী হাসান আজাদ, মোঃ যুবক মল্লিক, মোঃ মিজানুর রহমান দোলন, মোঃ মিঠু মৃধা ও মোঃ আব্দুল কুদ্দুস কবিরাজ।
এ সময় ফাউন্ডেশনের প্রেস সচিব মোঃ শোয়েবুর রহমান শোয়েব মিডিয়ার সামনে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, গাজী মমতাজ এন্ড দুলাল’স ফাউন্ডেশন মানবতা, দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। “যেখানেই প্রয়োজন সেখানেই আমরা মানবতার হাত বাড়িয়ে দেই”-এই স্লোগানকে সামনে রেখে ফাউন্ডেশনটি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি আরও জানান, গাজী মমতাজ চাল বিতরণ প্রকল্পের আওতায় অসহায়, প্রতিবন্ধী ও বিধবা মানুষের তালিকা ফাউন্ডেশনের শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভলেন্টিয়ারদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয় এবং উপদেষ্টা কমিটি যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত হকদারদের নির্বাচন করে। পরে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাদের ঘরে ঘরে গিয়ে চাল পৌঁছে দেওয়া হয়।
উপদেষ্টা কমিটিতে ছিলেন মোঃ সোহরাব বিশ্বাস, মোঃ শহিদুল ইসলাম মৃধা, গাজী মোঃ সোহেল, গাজী মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, মোঃ তুহিন স্যার, মোঃ সোহেল স্যার ও গাজী মোঃ বাপ্পি।
ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান গাজী সাইফুল ইসলাম মিথুন সম্পর্কে বক্তারা বলেন, তিনি প্রবাসে থেকেও মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার উদ্যোগে ইতোমধ্যে ২৩টি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে, বর্তমানে ১৯টি প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং আরও ১৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে।
ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগকে ব্যতিক্রমী উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সাধারণত মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে ত্রাণ নিতে দেখা যায়। কিন্তু গাজী মমতাজ এন্ড দুলাল’স ফাউন্ডেশন সম্পূর্ণ গোপনীয়তার সঙ্গে উপকারভোগীদের ঘরে ঘরে গিয়ে চাল পৌঁছে দেয়। যেখানে বর্তমানে অনেক সময় সহায়তার ছবি তুলে প্রচার করা হয়, সেখানে ফাউন্ডেশনটি কেবল মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নীরবে কাজ করে যাচ্ছে।
এছাড়া ফাউন্ডেশনের নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে জুয়েল ইকবাল, মোঃ যুবক মল্লিক, মান্নান পেদা, নিয়ামত উল্লাহ এবং এক নারী দোকানদারসহ কয়েকজন উপকারভোগী ও স্থানীয় ব্যক্তি ফাউন্ডেশন এবং এর চেয়ারম্যান গাজী সাইফুল ইসলাম মিথুনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।