৬২ হাজার মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে পায়রা বন্দরে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী মাদার ভ্যাসেল
বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু: ৬২ হাজার ১০০ মেট্রিকটন কয়লা নিয়ে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী মাদার ভ্যাসেল ‘এমভি এমবিএস তাইসি’। কয়লাবাহী জাহাজটির আগমনে পায়রা বন্দরের পণ্য পরিবহন ও খালাস কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছে নোঙর করে। প্রায় সাড়ে ১৩ মিটার ড্রাফটের জাহাজটির দৈর্ঘ্য ১৯৯ মিটার এবং প্রস্থ ৩২ মিটার। গত ২৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার তারাহান বন্দর থেকে কয়লাবাহী জাহাজটি যাত্রা শুরু করে।
জাহাজে আনা এসব কয়লা পটুয়াখালীর পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পায়রা বন্দরের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন এস. এম. শরিফুর রহমান জানান, গত মঙ্গলবার রাতে মাদার ভ্যাসেলটি নিরাপদে বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করেছে। গত বুধবার থেকে জাহাজটির পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথমে জাহাজ থেকে অর্ধেকের বেশি কয়লা খালাস করা হবে। পরে জাহাজটি টার্মিনালে এনে অবশিষ্ট কয়লা খালাস করা হবে।
তিনি আরও জানান,আগামী দিনগুলোতে বন্দরে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পণ্যবাহী জাহাজের আগমন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পায়রা বন্দর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে,পায়রা বন্দরে বড় আকারের মাদার ভ্যাসেলের আগমন দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য,জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এ বন্দরের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম সম্প্রসারিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।