বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন

মো. এনামুল হকঃ কলাপাড়ায় লাইসেন্স বিহীন করাত গড়ে উঠেছে। এ সকল করাত কলে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনান্জ্ঞাল থেকে গাছ কেটে রাতের আঁধারে করাত কলে চিড়াই করা হচ্ছে।এতে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন ২টি পৌরসভায় প্রায় ৭৯টি করাতকল রয়েছে।তার মধ্যে মহিপুর রেন্জ্ঞে ৪১ টি করাতকলের ৪ টিতে লাইসেন্স রয়েছে, বাকী ৩৭ টি লাইসেন্স বিহীন, কলাপাড়ায় ৩৮ টির মধ্যে ৩১ টিতে লাইসেন্স রয়েছে বাকী ৮ টিতে লাইসেন্স বিহীন।মোট ৪৫ টি করাত কলের অনুমোদন লাইসেন্স নেই। ওই অবৈধ করাত কল বন্ধ ও উচ্ছেদ করার জন্য কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতিবাজার নিবাসী আবদুল বারেক মৃধার পুত্র মোঃ হেমায়েত উদ্ধিন হিরন মৃধা ৬ ফেব্রুয়ারী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, পরিবেশ অধিদপ্তর পটুয়াখালী জেলা, জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করের, উপজেলার বানাতিবাজার সংলগ্ন, পায়রা বন্দরে অধিগ্রহনের ১৭৩ নং খতিয়ানের ১৬৫ নম্বর দাগে জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে মহল্লাপাড়া নদী ঘেষে এফরান তালুকদারের পুত্র মোঃ আবদুল রশিদ তালুকদার, বানাতিবাজার পুরাতন ব্রীজ সংলগ্ন পশ্চিম পাড়ে,আবদুল খানের পুত্র মোঃ বাবুল খান, লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন আবদুল জববার মোল্লার পুত্র মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, বানাতিবাজার পুর্ব পাশ্বে ভাই ভাই স্বমিল,মাহাতাব উদ্দিন,নিয়ম কানুনের কোনো তোয়াক্কা না করে করাতকল নির্মান করেছে। ওই অবৈধ করাতকলের কোনো লাইসেন্স নেই। ঐ সকল অবৈধ করাতকলে প্রতিনিয়ত বন বিভাগের সংরক্ষিত বনান্জ্ঞাল থেকে গাছ কেটে রাতের আঁধারে করাত কলে চিরাই করা হচ্ছে। অবৈধ করাতকল মালিকদের শক্তির কাছে বনবিভাগ কর্মকর্তারা অসহায়। বনবিভাগের কর্মকর্তারা উর্ধতন কর্মকর্তাকে অবৈধ করাতকলের, লাইসেন্স বিহীন, অনুমোদন বিহীনদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বারবার চিঠি চালাচালি করে কোনো সুফল মিলেনি বলে বনবিভাগ সুত্রে জানা গেছে।
নামে প্রকাশে অনিচ্ছুক বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান,নদী কমিশন সচিব পত্রালাপে অবৈধভাবে নিমির্ত করাত কল উচ্ছেদের ব্যাপারে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী, বারবার চিঠি দেয়া সত্বেও অবৈধ করাত কল উচ্ছেদ অভিযান হচ্ছে না। রেন্জ্ঞ কর্মকর্তাবৃন্দ আক্ষেপ করে বলেন, এ ব্যাপারে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা,জেলা প্রশাসকের কাছে বহুবার চিঠি দিয়েছেন, কোনো সুফল না পেয়ে বন বিভাগ হতাশ। লাইসেন্স বিহীন করাত কলগুলো বন বিভাগের বিশেষ আশীর্বাদপৃষ্ঠ বলে জানা গেছে,করাত কলের স্বচ্ছতা আনায়নের জন্য মাঝে মধ্যে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার বিষয় থাকলেও তা হচ্ছে না।এ বিভাগে অবৈধ করাত কলের বৈধকরন বা লাইসেন্স গ্রহনের বাধ্যবাধকতার প্রশ্নে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply