কলাপাড়ায় পিপিআর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দু’শতাধিক ছাগলের মৃত্যু | আপন নিউজ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
ঐতিহাসিক কুরআন দিবস উপলক্ষে কলাপাড়ায় ছাত্রশিবিরের আলোচনা সভা ও কুরআন বিতরণ কলাপাড়ায় ফেক আইডি খুলে অ’প’প্র’চা’র ও চাঁ/দা দাবির অভিযোগে যুবক গ্রে’ফ’তা’র কলাপাড়ায় মাছ ধরা নিয়ে সং’ঘ’র্ষে আ’হ’ত ১ কলাপাড়ায় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মা’ন’ব’ব’ন্ধ’ন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কলাপাড়ায় পত্রিকা বিক্রেতা মরহুম সালাম’র কবর জিয়ারত, পরিবারের পাশে মনির কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজ ডিগ্রি ও অনার্স শাখার কমিটি অনুমোদন রাঙ্গাবালীতে নতুন বসানো একটি নলকূপ থেকে বেরোচ্ছে গ্যাস জ্ব’ল’ছে আ’গু’ন ৩৬ কোটি টাকার টেন্ডারে অ’নি’য়’মের অভিযোগে বরগুনা এলজিইডি প্রকৌশলীদের বি’রু’দ্ধে তদন্ত শুরু আমতলীতে বিএনপি নেতার বি’রু’দ্ধে শ্রমিক দল নেতার অপপ্রচারের বি’রু’দ্ধে সংবাদ সম্মেলন কলাপাড়ায় নান্দনিক “জামান টাওয়ার”-এর শুভ উদ্বোধন
কলাপাড়ায় পিপিআর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দু’শতাধিক ছাগলের মৃত্যু

কলাপাড়ায় পিপিআর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দু’শতাধিক ছাগলের মৃত্যু

চঞ্চল সাহা,কলাপাড়াঃ কলাপাড়ায় ভাইরাস জনিত রোগ পিপিআর (পেষ্টি ডেস পেটিটিস ইন রুমিন্যান্টস) এ আক্রান্ত হয়ে অন্ততঃ দুই শতাধিক ছাগলের মৃত্যু হয়েছে। বিজ্ঞানীদের ভাষায়, এটি একটি মরবিলি ভাইরাস। রোগটি ১৯৪৩ সালে প্রথম দেখা যায় ,আইভরিকোষ্টে। সেই দেশে ভাইরাসটিকে কাটা নামে পরিচিত ছিল। চীনে ২০০৭ সালে এবং মরোক্কোতে ২০০৮ সালে এ ভাইরাসটি সনাক্ত হয়। এছাড়া বাংলাদেশে ১৯৯৩ সালে মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া জেলায় রোগটি মহামারি হিসিবে দেখা দেয় এর পর থেকে প্রতি বছর এ রোগের কারনে দেশে ছাগল এবং ভেড়ার মৃত্যুও খবর পাওয়া যায়। খামারীদের অসচেতনতাই এর মৃত্যুর প্রধান কারন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

চিকিৎসকদের মতে’ বর্ষা মৌসুমে সাধারনত এ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়। গত দু’সপ্তাহে কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অন্ততঃ সহ্রাধিক ছাগল এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মারা গেছে অন্ততঃ দুই শতাধিক ছাগল। এ রোগের প্রধান লক্ষন মুখ থেকে লালা পড়া, সাথে সাথে পাতলা পায়খানা।

এসময় ছাগল কিংবা ভেড়া কোন খাবার গ্রহন করে না। শরীরে এর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী থাকে। তবে এ ভাইরাস ছাগল কিংবা ভেড়া’র বেশী হয়। ভাইরাসটি বাতাসেও ছড়াতে পারে। ফলে রোগাক্রান্ত হবার ৪/৫ দিনের মধ্যে ছাগলটি মারা যায়। ফলে খামারিরা ছাগল নিয়ে পড়েছে বিপাকে।

এ ব্যাপারে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের খামারী মো.আনোয়ার হোসেন জানান, তার খামার থেকে ইতিমধ্যে তিনটি ছাগল মারা গেছে। ছাগল গুলোর মুখ থেকে লালা পড়ে,সাথে পাতলা পায়খানা।

এসময় ছাগল গুলো কোন খাবার গ্রহন কওে না। তার খামারে আরো পাঁচটি ছাগল চরম ভাবে আক্রান্ত। তবে ভালো গুলো অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

একই ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের আবদুল জলিল হাওলাদার জানান, পিপিআর ভাইরাসে তার ৮টি ছাগল মারা গেছে। এ রোগটি সম্পর্কে তার জানা ছিল না।তার খামারের বাকী ছাগল গুলো বিক্রি করে দিয়েছেন।

একই গ্রামের পান্না নামের এক খামারী জানান, ছাগল পালন নিয়ে তার অনীহা সৃষ্টি হয়েছে। রোগাক্রান্ত হলে কোন পরামর্শ যেমন পাওয়া যায় না, তেমনি প্রতিষেধকের কোন ব্যবস্থা নাই। পিপিআর ভাইরাসে তার পাঁটি ছাগল মারা গেছে।

উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.শাহআলম জানান, পিপি ভাইরাস দমনে প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। এটি বাতাসেও ছড়ায়, ফলে বছরে দু’বার এর প্রতিষেধক দেয়া হলে নব্বই ভাগ ছাগল সুরক্ষিত থাকতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!