কলাপাড়ায় স্বামীর জাল জালিয়াতি ভুয়া তালাক সৃষ্টির বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ | আপন নিউজ

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
আমতলীতে ছাত্রীকে তুলে নিতে বাঁধা দেয়ায় মাদ্রাসা সুপারকে মা’রধ’র; থানায় অভিযোগ আমতলীর নবাগত ইউএনও সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা কলাপাড়ায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও শীতার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক কলাপাড়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপন কলাপাড়ায় বিধবা নারীর জমি জবরদখ’ল ও ধান কা’টা’র অভিযোগ দীর্ঘ ১৪ মাস পর মুক্তি পেলেন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ গলাচিপা থানায় নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করলেন জিল্লুর রহমান বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কলাপাড়ায় শ্রমিক দলের দোয়া-মোনাজাত কলাপাড়ায় নীতিবিরুদ্ধ সকল কাজ পরিহার করতে হবে- ইউএনও কাউছার হামিদ সফল জননী মাহমুদা বেগম
কলাপাড়ায় স্বামীর জাল জালিয়াতি ভুয়া তালাক সৃষ্টির বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ

কলাপাড়ায় স্বামীর জাল জালিয়াতি ভুয়া তালাক সৃষ্টির বিরুদ্ধে স্ত্রীর অভিযোগ

মো. এনামুল হকঃ কলাপাড়ায় স্ত্রী নির্যাতনের মামলায় সাজা প্রাপ্ত আসামী স্বামী ফেরদাউস ১০ বছরের পিছনের তারিখ প্রদর্শন করে জালিয়াতি তালাক সৃষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে,২০০৯ সালের ২৭ জুন ঢাকায় চাকুরীরত থাকাকালীন চাকামইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া গ্রাম নিবাসী সৈয়দ আহম্মদের পুত্র মোঃ ফেরদাউস এর সাথে বিবাহ হয়। সংসার জীবনে ২০১০ সালের ৩০ জুন এক কন্যা সন্তান মালিহা (১২) জম্ম গ্রহন করে। তারপর দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবীতে স্বামী ফেরদাউস, শশুড় সৈয়দ আহম্মদ, শাশুড়ী মুনসুরা বেগম,ভাসুর কুদ্দুস হাওলাদার নির্যাতন করে। নির্যাতনের বিচার দাবীতে রিনা বেগম বাদী হয়ে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। ওই মামলা প্রত্যাহার করার জন্য বাদীকে শারীরিক নির্যাতন করে। ওই ঘটনায় জি,আর মামলা নং ৩৪৫/২০১৬ মামলা দায়ের করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় বিচারক সাক্ষী প্রমান গ্রহন শেষে ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ তারিখে স্বামী ফেরদাউস হাওলাদারকে এক বছর সাজা দশ হাজার টাকা জরিমানা আদেশ প্রদান করে।এরপর রিনা বেগম বাদি হয়ে  পারিবারিক আদালত, পটুয়াখালী সদর কোর্টে খোরপোষের দাবীতে মামলা দায়ের করে। ওই পারিবারিক আদালত,সাক্ষী প্রমানের ভিত্তিতে বাদী রিনা বেগম ও তার সন্তান মালিহা দেনমোহর ও খোরপোষের বাবদ সাত লাখ ছাপ্পান্ন হাজার টাকা বাদীপক্ষের অনুকুলে ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করার জন্য গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে  ডিক্রি প্রদান করেন।প্রতিপক্ষ ফেরদাউস হাওলাদার ওই  পারিবারিক মামলায় গত ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে আপত্তিপত্র দাখিল করে বিগত ১০ ডিসেম্বর ২০১২ সালে বরগুনা জেলার আড়পাঙ্গাশিয়া কাজীর অফিসের কাজীর স্বাক্ষর সিল ব্যবহার করে জাল জালিয়াতি তালাক সৃষ্টি করে। ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ মোকাম পটুয়াখালী সিনিয়র জজ আদালতে দাখিল করে। ঐ জাল জালিয়াতি তালাকের বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা নং১২৪/১৯ দায়ের করে রিনা বেগম। ফেরদাউস রিনা বেগম এর  আসল ঠিকানা গোপন করে রিনা বেগম এর বসবাসরত ঠিকানায় তালাকের অনুলিপি না পাঠিয়ে ভুয়া ভাক্ত ঠিকানা দর্শাইয়া আড়পাঙ্গাশিয়া স্হানীয় চেয়ারম্যান অফিসের  রেজিঃ নং-০৩০ তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১২ পাঠিয়েছে। রিনা বেগম বলেন আমি বিবাহ অবধি কলাপাড়াস্হ চৌরাস্তা শাহজাহান মাষ্টারের ভাড়াটিয়া বাসায় আমার নাবালক কন্যা মালিহাকে নিয়ে বসবাস করছি। তাই আমি কোনো তালাকনামার কপি পাইনি।
অভিযুক্ত ফেরদাউস হাওলাদার এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তালাক দেয়ার সময় রিনা বেগম দেশের বাহিরে কাতার ছিল। ওই সময় আমি তালাক দিয়েছি। সে কবে তালাক রিসিভ করেছেন তাহা আমি জানিনা।
এব্যাপারে আড়পাঙ্গাশিয়া চেয়ারম্যান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওই রুপ কোনো তালাক আমার অফিসে পাইনি। তালাকনামা কোনোরূপ কার্যকর করা হয়নি।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!