বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ন

আমতলী প্রতিনিধিঃ তাল গাছ নিয়ে দ্বন্ধে সাইদুল মৃধা ও তার স্ত্রী আসমা বেগম ও মেয়ে জান্নাতি বৃদ্ধ আতাহার হাওলাদারকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেলে আমতলী উপজেলার চলাভাঙ্গা গ্রামে। পুলিশ ওইদিন রাতে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। শুক্রবার নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে বলে আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ সাইদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানাগেছে, আমতলী উপজেলার চলাভাঙ্গা গ্রামে সাইদুল মৃধা ও আতাহার হাওলাদারের মধ্যে একটি তাল গাছ নিয়ে দ্বন্ধ চলে আসছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই তাল গাছের রস সংগ্রহ করতে আতাহার হাওলাদার গাছ প্রস্তুত করেন। ওইদিন বিকেলে সাইদুল মৃধা ওই গাছে বাঁশের আড় দিয়ে গাছের মুছি কাটেন। এ নিয়ে দুই জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় সাইদুল মৃধা, তার স্ত্রী আসমা ও মেয়ে জান্নাতি বৃদ্ধ আতাহার হাওলাদারকে পিটিয়ে আহত করে। তাদের মারধর সে (আতাহার) জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মহুয়া আক্তার তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেছেন। এ ঘটনার পরপরই সাইদুল মৃধা ও তার পরিবারের লোকজন পালিয়েছে। ওইদিন রাতে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। শুক্রবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
নিহতের ছেলে আলানুর বলেন, আমার বাবাকে সাইদুল মৃধা, তার স্ত্রী আসমা বেগম ও মেয়ে জান্নাতি পিটিয়ে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। আমি বাবাকে মারধরের কারন জানতে সাইদুল মৃধার বাড়ী গেলে আমাকেও মারধর করেছে। আমি এ হত্যাকান্ডের শাস্তি দাবী করছি।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মহুয়া আক্তার বলেন, আতাহার হাওলাদারকে হাসপাতালে আনার পুর্বেই মারা গেছেন।
আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানা আনা হয়েছে। আগামীকাল ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তিনি আরো বলেন, নিহতের পরিবার মামলা করলে মামলা নেয়া হবে।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply