শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ার নীলগঞ্জে অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটসাল টুর্নামেন্টের ফাইনালে হানজালা ফাইটার্স চ্যাম্পিয়ন আমতলীতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিকান্ড কুয়াকাটায় হোটেলের লাইসেন্স নবায়নের নামে ঘুষ দাবি, হাতেনাতে আ’ট’ক শ্রম পরিদর্শক আমতলীর খেকুয়ানী বাজারে গাডার সেতু নির্মাণের দাবীতে মা/ন/ব/ব/ন্ধ/ন খাল নেই, রাস্তা নেই-গঙ্গামতিতে আড়াই কোটি টাকার গার্ডার সেতু নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন পরিবারের সন্ধানে পথে পথে ঘুরছেন ৭০ বছরের কুলসুম, ফিরতে চান স্বজনদের কাছে কলাপাড়ার লালুয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় আঘাত পেয়ে চিৎকার করায় শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পেটালেন শিক্ষক মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে সমুদ্র ও নদীতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা,চলছে জেলেদের শেষ সময়ের প্রস্তুতি কলাপাড়ায় শিশু রাইয়ানকে হ/ত্যার আগে সারা রাত জেগে ঘাতক আলআমিন ই’য়া’বা সেবন করেছে
আমতলীতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিকান্ড

আমতলীতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিকান্ড

আমতলীতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিকান্ড

আমতলী প্রতিনিধিঃ বরগুনার আমতলীতে অগ্নিকাণ্ডে দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ছাড়া একটি প্রতিষ্ঠানের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

শনিবার ১০ দিকে আমতলী পৌরসভার সরকারি কলেজের সামনে জেলা পরিষদ মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মো. খলিলুর রহমানের বাহার লাইব্রেরি, মো. মিলন হাওলাদারের বাবা-মায়ের দোয়া গার্মেন্টস এবং মো. নুরুল আলমের সুমাইয়া কসমেটিকস। এর মধ্যে প্রথম দুটি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং কসমেটিকসের দোকানটির আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মার্কেটের বাহার লাইব্রেরি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের গার্মেন্টস ও কসমেটিকসের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মিলন হাওলাদার বলেন, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান তিনি। সকালে দোকানে আগুন লাগার খবর পান। আগুনে কোনো মালামালই বের করতে পারেননি। বাহার লাইব্রেরির মালিক খলিলুর রহমান বলেন, আগুনে তাঁর দোকানের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই রক্ষা করতে পারেননি। প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার বই পুড়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী চপল চন্দ্র বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কেউ আগুন নেভানোর সাহস করেননি। চোখের সামনে দোকানগুলো পুড়ে যেতে দেখেছেন তাঁরা। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

আমতলী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়ারহাউস ইনচার্জ মো. মাহবুব হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, সকালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৯-২০২৬ © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!