কলাপাড়ায় র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ | আপন নিউজ

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কুয়াকাটায় ২১ একর জমির মালিকানা বেহাতের অভিযোগে রাখাইন বোচানের সংবাদ সম্মেলন কলাপাড়ায় বিদ্যালয়ের পাশে ব্রয়লার খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা কলাপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বি’রোধে নারীকে লা’ঠি’পে’টা’র অভিযোগ কলাপাড়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আইসিইউতে, অবস্থা সংকটাপন্ন কলাপাড়ায় নারীকে পি’টি’য়ে আ’হ’তে’র অভিযোগ কলাপাড়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে চারা, বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন কলাপাড়ায় প্রিয়জন কল্যাণ পরিষদ ও পাশে দাঁড়াই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুই দিনব্যাপী বর্ষবরণ উদযাপন শত বছরের ঐতিহ্য হারাতে বসেছে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কলাপাড়ায় দাখিল পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নাসির মোল্লা মিন্টুকে সম্মাননা দিল কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব
কলাপাড়ায় র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ

কলাপাড়ায় র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ

চঞ্চল সাহা,কলাপাড়াঃ কলাপাড়ায় ঘূর্নিঝড় মোখা আতঙ্কে র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সবারই দৃষ্টি ছিল, নদীর দিকে,নদীতে কতটুকু পানি বৃদ্ধি পেয়েছে কিংবা বাতাসের গতিবেগ কতটা এ গুলোই ছিল আলোচনার বিষয় । শনিবার দুপুর পর্যন্ত মানুষের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ তেমন না থাকলেও বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধি এবং সিপিপি’র সদস্যদের আপ্রান চেষ্টায় মানুষ আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। এদের অধিকাংশ ৮ নাম্বার মহাবিপদ সংকেতকে ভয়াবহ হিসেবে নিয়েছে। ফলে অধিকাংশ মানুষ অনেকটা র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, উপজেলা প্রশাসন ১৭৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র সহ ১৯টি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখলেও বিগত দিনের তুলনায় মানুষ আশ্রয় নিয়েছে কম। তবে কেউ কেউ প্রতিবেশীদের অপেক্ষাকৃত ভাল বাসা-বাড়ীতেও আশ্রয় নিয়েছে। অনেক কৃষক তাদের গবাদি পশু এলাকার উঁচু স্থানে নিরাপদে রেখেছে। বিকেল থেকেই সিপিপির সদস্যরা মাইকিং করে মহাবিপদ সংকেত জানানোর পাশাপাশি নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সহ ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

এ ব্যাপারে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের ই্টবাড়িয়া গ্রামের অধিবাসী মো.ইউসুফ আলী বলেন, সিডরে তার অনেক ক্ষতি হইছে, এহন আগেই আশ্রয় কেন্দ্রে গেছিলাম। তবে সরকার থেইক্যা ভাল ব্যবস্থা করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মহিপুর ইউনিয়নের বিপনপুন গ্রামের বাসিন্দা রাজ্জাক মিয়া বলেন’ আল্লায় মোগো রক্ষা হরছে, সিডরে যে চুবানি খাইছি,হ্যা ভুইল্যা যাই নাই। পোলাপান লইয়া দিন থাকতেই আশ্রয়কেন্দ্রে গেছি। তবে আতংকে রাইতে য়ুমাইতে পারি নাই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, রবিবার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় কোন দূর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বাতাসের গতিবেগ স্বাভাবিক ছিল,নদীতে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দু’তিন ফুট বেশী ছিল।তবে আকাশ সারাদিনই ছিল মেঘাচ্ছন্ন। বন্যা আতংকে পৌরশহরের লোকজনের আনাগোনা ছিল খুবই কম। যানবাহনও খুবই কম চলাচল করেছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!