শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সংগঠনের নতুন কমিটি গঠন কলাপাড়ায় স্কুলে হঠাৎ ২৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলাপাড়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি; সন্তুষ্ট গ্রাহক রেডিয়েন্ট ইসলামিক মডেল স্কুলে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নি’হ’ত নৌসদস্যের সামরিক মর্যাদায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নৌবাহিনী শিপইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ মহিপুরে ১৭৫ পিস ই’য়া’বাসহ দুই মা দ ক ব্যবসায়ী গ্রে’প্তা’র পাখিমারায় রিও’র উদ্যোগে ‘উপকূল পাঠাগার’ কমিটি গঠন আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দ’খ’ল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মা ন ব ব ন্ধ ন
কলাপাড়ায় র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ

কলাপাড়ায় র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ

চঞ্চল সাহা,কলাপাড়াঃ কলাপাড়ায় ঘূর্নিঝড় মোখা আতঙ্কে র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সবারই দৃষ্টি ছিল, নদীর দিকে,নদীতে কতটুকু পানি বৃদ্ধি পেয়েছে কিংবা বাতাসের গতিবেগ কতটা এ গুলোই ছিল আলোচনার বিষয় । শনিবার দুপুর পর্যন্ত মানুষের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার আগ্রহ তেমন না থাকলেও বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধি এবং সিপিপি’র সদস্যদের আপ্রান চেষ্টায় মানুষ আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। এদের অধিকাংশ ৮ নাম্বার মহাবিপদ সংকেতকে ভয়াবহ হিসেবে নিয়েছে। ফলে অধিকাংশ মানুষ অনেকটা র্নিঘুম রাত কাটিয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, উপজেলা প্রশাসন ১৭৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র সহ ১৯টি মুজিব কিল্লা প্রস্তুত রাখলেও বিগত দিনের তুলনায় মানুষ আশ্রয় নিয়েছে কম। তবে কেউ কেউ প্রতিবেশীদের অপেক্ষাকৃত ভাল বাসা-বাড়ীতেও আশ্রয় নিয়েছে। অনেক কৃষক তাদের গবাদি পশু এলাকার উঁচু স্থানে নিরাপদে রেখেছে। বিকেল থেকেই সিপিপির সদস্যরা মাইকিং করে মহাবিপদ সংকেত জানানোর পাশাপাশি নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সহ ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

এ ব্যাপারে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের ই্টবাড়িয়া গ্রামের অধিবাসী মো.ইউসুফ আলী বলেন, সিডরে তার অনেক ক্ষতি হইছে, এহন আগেই আশ্রয় কেন্দ্রে গেছিলাম। তবে সরকার থেইক্যা ভাল ব্যবস্থা করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মহিপুর ইউনিয়নের বিপনপুন গ্রামের বাসিন্দা রাজ্জাক মিয়া বলেন’ আল্লায় মোগো রক্ষা হরছে, সিডরে যে চুবানি খাইছি,হ্যা ভুইল্যা যাই নাই। পোলাপান লইয়া দিন থাকতেই আশ্রয়কেন্দ্রে গেছি। তবে আতংকে রাইতে য়ুমাইতে পারি নাই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, রবিবার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় কোন দূর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বাতাসের গতিবেগ স্বাভাবিক ছিল,নদীতে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে দু’তিন ফুট বেশী ছিল।তবে আকাশ সারাদিনই ছিল মেঘাচ্ছন্ন। বন্যা আতংকে পৌরশহরের লোকজনের আনাগোনা ছিল খুবই কম। যানবাহনও খুবই কম চলাচল করেছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!