গলাচিপায় তৈরী হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি | আপন নিউজ

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কুয়াকাটায় ২১ একর জমির মালিকানা বেহাতের অভিযোগে রাখাইন বোচানের সংবাদ সম্মেলন কলাপাড়ায় বিদ্যালয়ের পাশে ব্রয়লার খামার, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা কলাপাড়ায় জমি সংক্রান্ত বি’রোধে নারীকে লা’ঠি’পে’টা’র অভিযোগ কলাপাড়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আইসিইউতে, অবস্থা সংকটাপন্ন কলাপাড়ায় নারীকে পি’টি’য়ে আ’হ’তে’র অভিযোগ কলাপাড়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে চারা, বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন কলাপাড়ায় প্রিয়জন কল্যাণ পরিষদ ও পাশে দাঁড়াই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুই দিনব্যাপী বর্ষবরণ উদযাপন শত বছরের ঐতিহ্য হারাতে বসেছে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কলাপাড়ায় দাখিল পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নাসির মোল্লা মিন্টুকে সম্মাননা দিল কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব
গলাচিপায় তৈরী হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি

গলাচিপায় তৈরী হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি

সঞ্জিব দাস, গলাচিপাঃ

পটুয়াখালীর গলাচিপায় এখন তৈরি হচ্ছে মুঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি। ইমন, জুম্মন, রাসেল, হৃদয়, আজিজুল ও কাওসার এরা ৬ জন ক্ষুদে কারিগর। এদের বয়স ১৪ থেকে ১৬ বছর। নারায়ণগঞ্জের একটি জামদানি শাড়ি তৈরীর কারখানায় কাজ করতো তারা সকলে। দীর্ঘ ৪ বছর ওই কারখানায় একাগ্রতার সাথে কাজ করে তারা হয়ে যায় শাড়ি বুননের কারিগর। তাদের সবার বাড়ী কিশোরগঞ্জ জেলার নান্দাইল উপজেলার কচুরিয়া গ্রামে। উপজেলার গলাচিপা সদর ইউনিয়নের ইটবাড়ীয়া এলাকায় রুবেল হাসান বাবুর অনুপ্রেরনায় তারা ৬ জন জামদানি শাড়ি তৈরীর কারখানা গড়ে তোলেন। প্রথমবারের মতো এ এলাকায় গড়ে ওঠে শাড়ি তৈরির কারখানাটি। এ কারখানার কারিগরের শাড়ি বুনন দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার মানুষ এসে এখানে ভিড় করে। গলাচিপা ইউনিয়নের বাসিন্দা রুবেল হাসান বাবু প্রধান কারিগর ইমনের ভগ্নিপতি। তার সুবাদে এই এলাকায় তারা জামদানি শাড়ি তৈরির কারখানা গড়ে তোলেন। মাত্র ২ মাস আগে কারখানার যাত্রা শুরু করেন তারা। কিন্তু পুঁজি স্বল্পতা তাদের এ কারখানার মজবুত ভীত গড়া অন্তরায় হয়ে পড়েছে বলে জানান কারখানার মালিক রুবেল হাসান বাবু। এ ক্ষুদে কারিগররা শুক্রবার ছাড়া সপ্তাহের ৬ দিনে ২ টি শাড়ি তৈরী করতে পারে। উৎপাদিত শাড়ির বেশিরভাগই বিক্রি করতে হয় সরঞ্জাম সরবরাহকারী মহাজনের কাছে। এ কারখানার মালিক রুবেল হাসান বাবু আরও জানান, শাড়ি প্রতি ৭০০-৮০০ টাকা লাভ হয়। পুঁজি স্বল্পতায় কারখানার পরিধি ও উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। পর্যাপ্ত পরিমান টাকা সংগ্রহ করতে পারলে এখানে ভাল একটি বড় ধরনের কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হতো। কারিগর ইমন জানান, সরকারী-বেসরকারী সহায়তা পেলে সফলতা হাতের নাগালে এসে যাবে। এছাড়া পায়রা বন্দর ঘিরে দক্ষিনা লে এ ধরনের কারখানা আরও গড়ে উঠলে উৎপাদিত শাড়ি রপ্তানি করে প্রচুর পরিমানে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। ইমন আরও জানান, স্থানীয়রাও চাইলে এ শাড়ি কিনতে পারবেন। মানভেদে প্রত্যেকটি শাড়ির সর্বম্নি দাম রয়েছে ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার জানান, নিঃসন্দেহে এটি একটি ভাল উদ্যোগ। প্রয়োজনে আরো লোকদের প্রশিক্ষন দিয়ে কারিগর তৈরী করা হবে। এছাড়া এলাকার বিত্তবানদের এ ব্যাপারে এগিয়ে আসা উচিত।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!