কলাপাড়ায় ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রত অধিদপ্তরের মামলা বানোয়াট দাবি | আপন নিউজ

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
অনৈতিক ভিডিও ভাইরাল ঘটনায় কলাপাড়ায় বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত ‘কলাপাড়া চৌকি আদালত বার ভবনের জন্য সরকারি জমি বরাদ্দের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে’ কলাপাড়ায় ১৪ হাজার টাকা জা’ল নোটসহ যুবক আ’ট’ক ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে কুয়াকাটা খালে পরিচ্ছন্নতা অভিযান গোপনীয়তার সাথে অসহায়দের ঘরে ঘরে চাল পৌঁছে দিচ্ছে গাজী মমতাজ এন্ড দুলাল’স ফাউন্ডেশন আমতলীতে জমজমাট ঈদবাজার; জিমিচু পোশাকের দ’খ’লে বাজার কলাপাড়ায় আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস পালিত; মা’ন’ব’ব’ন্ধ’ন ও কাগজের নৌকা ভাসানো কলাপাড়ায় দলিল জা’লিয়াতি করে অন্যের জমি দ’খ’লের চেষ্টা; চক্রের এক হোতার নামে মা’ম’লা কলাপাড়ায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আমতলীতে খাস জমি নিয়ে দ্ব’ন্দ্ব; সং’ঘ’র্ষে আ’হ’ত-৭
কলাপাড়ায় ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রত অধিদপ্তরের মামলা বানোয়াট দাবি

কলাপাড়ায় ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রত অধিদপ্তরের মামলা বানোয়াট দাবি

এস এম আলমগীর হোসেনঃ
কলাপাড়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রত অধিদপ্তরের মামলায় শিকার উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা, দায়েরকৃত মামলা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত দাবি এবং মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কলাপাড়া উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ামিন ইসলাম মুন্না। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ামিন ইসলাম মুন্না বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যে মামলা কার হয়েছে তা বানোয়াট ও মিথ্যা। তিনি আরও বলেন, গত ২ ডিসেম্বর অনুমানিক সন্ধ্যা সড়ে ৫ টার সময় উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতি বাজার থেকে আমিসহ আমার ৫ বন্ধুসহ তিনটি মোটর সাইকেল যোগে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওনা হই। এছাড়া অপেক্ষায় থাকা বন্ধু শাকিলকে লতাচপলী ইউনিয়নের মাইটভাঙ্গা গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে কুয়াকাটায় যাবার পথে সাদা পোশাকের ৭ জন লোক আমাদের গাড়ি থামানো সংকেত দেয় আমরা গাড়ি থামাই।
তারা আমাদেও শরীর তল্লাশীর জন্য দাঁড়াতে বলে। আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্য ভেবে তাদের তল্লাশী কাজে সহযোগীতা করি। এরপর তারা তল্লাশী শেষে আমাদের কাছে কিছু না পেয়ে আমাকে ও আমার বন্ধু নাসিম, শাকিল, বায়েজিত ও রাজিবকে চলে যেতে বলে বাকী দুই বন্ধু শাকিব ও ফেরদৌসের হাতে হাতকড়া পড়ায়। আমরা তাদের কাছে আটকের কারন কি জানতে চাইলে ডিবি পরিচয় দিয়ে আটককের ভয় দেখায়। এর আমাকে ও শাকিলকে হাত কড়া পড়িয়ে আমার ও সাকিবের মোটরসাইকেলের চাবি ও মোবাইল ফোন নিয়ে বন্ধ করে দেয়। এরপর মোটর সাইকেল তাদের নিয়ন্ত্রনে রেখে আমাদেও ৪ জনকে মাহিন্দ্রা গাড়িতে করে শেখ রাসেল সেতুর টোলঘর পর্যন্ত নিয়ে আসে। টোল ঘর পাড় হবার পর ব্রীজের উপর গাড়ি থামিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তাদেব অন্যায় প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আমাদের এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিসে নিয়ে আসে। এর আমাদের চড়-থাপ্পর মেরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এর পর আমাদের নামে পৃথক দুটি মাদক মামল করে। কিছু না পেলেও দুই লিটার করে চোলাই মদ রিকভারি দেখায়। তিনি এও বলেন, আমাদের মোবাইল ব্যবহার করতে না দেওয়ায় অসহায় হয়ে পড়ি তাই আমরা আমাদের অভিভাবক দের সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি এরপর আমাদের কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়।
রাত আনুমানিক ১ টার দিকে ক্ষুধার্ত অবস্থায় মহিপুর থানা নিয়ে যায়। পরেরদিন দুপুরে আমাদেরকে আদালতে হাজির করে ওই দিন বৃহস্পতিবার আমাদের সময় মতন আদালতের নিয়ে না আসার কারণে আমরা আদালতের নিকট কোন আবেদন করতে পারিনাই আদালত আমাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয় আমরা ওই মামলায় কিছুদিন পর জামিনে মুক্তি পাই। জামিনে মুক্তি পেয়ে জানতে পারি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বন্ধু শাকিরের জব্দকৃত মোটরসাইকেল নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে আসছে। এছাড়াও তাদের অন্যান্য কর্মকর্তারা মোটরসাইকেলটি তাদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত কাজে একাধিকবার ব্যবহার করেছি। আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজন তাদের এই কাজে প্রতিবাদ জানালে তারা আটকের হুমকি দেয় এবং সকল প্রমাণ এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে রয়েছে।স্থানীয়দের সহযোগিতায় কলাপাড়া থানায় সংবাদ দিলে কলাপাড়া থানা পুলিশ মোটরসাইকেলসহ তাদেরকে থানায় নিয়ে যায়।
বিগতদিনে আমাদের বিরুদ্ধে কোন মাদক, সন্ত্রাস বা অসামাজিক কাজের অভিযোগে না থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা, অন্যায় ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা সৃষ্টিকারী অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা এবং কলাপাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক বানোয়াট মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার আবেদন করেন তিনি।
তারা হয়রানি মূলক মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েছে উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে। এছাড়াও তারা তাদের দ্বারা পূনরায় ক্ষতির আশংকা করছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্ত এর পরিদর্শক মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, যে ভাবে পাওয়া গেছে সেভাবেই মামলা হয়েছে। বাকীটা সাংবদিকদের  তদন্ত করে দেখতে বলেন। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী সহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!