রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

আমতলীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শ্রমিক দল নেতার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
আমতলী প্রতিনিধিঃ আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ও যান্ত্রিকযান থ্রী হুইলার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম সোহাগের সংবাদ সম্মেলনে অপপ্রচারের বিষয়ে মামলার বাদী সিএনজি চালক মোঃ আমিরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শনিবার দুপুরে আমতলী জেলা পরিষদ ডাক বাংলো মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিএনজি চালক মামলার বাদী মোঃ আমিরুল ইসলাম বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। শেখ হাসিনার দোসর মোঃ জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধার একান্ত সহযোগী ছিল মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু। ওই সময় তিনি খোকন মৃধার সহচর হয়ে সিএনজি ও মাহেন্দ্র থেকে চাঁদা আদায় করতেন। শেখ হাসিনার পতনের পর মঞ্জু ভোল পাল্টে শ্রমিক দলভুক্ত হন। ওই সময় থেকে তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে নানাবিধ ষড়যন্তে লিপ্ত হন। তার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অপচার করে আসছেন। গত ২ মার্চ বরগুনা-১ আসনের সাংসদ মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহর নির্দেশ মতে আমতলী সিএনজি ও থ্রী-হুইলার স্ট্যান্ড থেকে সকল ধরনের চা্ঁদা আদায় বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে গত মঙ্গলবার মিল্টন হাওলাদার ও তার সহযোগী সুমন মৃধা সিএনজি ও মাহেন্দ্র চালকদের কাছ থেকে ৫০০-২৫০০ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। খবর পেয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওসি আবু সাহাদাৎ মোঃ হাচনাইন পারভেজ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করে। পরে আমি তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করি। ওই মামলায় পুলিশ তাদের জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। কিন্তু ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম সোহাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন ফকিরকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। তাদের এমন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমতলী উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ তারিকুল ইসলাম সোহাগ বলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকির তার ছেলে রাহাত ফকিরের সিএনজি ও মাহেন্দ্র থেকে চাঁদাবাজী বহাল রাখতেই তিনি পৌর শ্রমিক দল সভাপতি মিল্টন হাওলাদার ও তার সহযোগী সুমন মৃধাকে পুলিশ দিয়ে আটক করে সাজানো মামলায় জড়িয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। এখন তিনি নিজেকে আড়াল করতে আবারো সিএনজি চালক নয় আমিরুল ইসলামকে দিয়ে সাজানো সংবাদ সম্মেলন করছেন।
আমতলী থানার ওসি আবু সাহাদাৎ মোঃ হাচনাইন পারভেজ বলেন, দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মামলা তদন্তাধীন আছে। স্বাক্ষ্য প্রমাণে নিদোষ প্রমানতি কাউকে অহেতুক হয়রানী করা হবে না।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply