মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫০ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
বিএনপি জোট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে দাবি তা সংবিধান পরিপন্থী- মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী কলাপাড়ায় আলীপুর-মহিপুর মৎস্য অবতরন কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী গলাচিপায় পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহে প্লাষ্টিকের বেঞ্চ বিতরন আজ উদ্বোধন হচ্ছে মহিপুর ও আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সরকার ও সাংবাদিকদের মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে অনিবন্ধিত ৫৯টি আইপিটিভি বন্ধ করল বিটিআরসি কুয়াকাটায় খালের ওপর পরিত্যক্ত কালভার্টে মুরগি বেচা-কেনার দোকানপাট আমতলীতে মুজিব কোর্ট নিয়ে ইমামের মিথ্যাচার ও কটুক্তি গলাচিপায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প স্বাবলম্বী হওয়ার পথে কলাপাড়ার ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের সদস্যরা
সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের আপন নিউজে খবরে কলাপাড়া ইউএনও’র অ্যাকশন

সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের আপন নিউজে খবরে কলাপাড়া ইউএনও’র অ্যাকশন

আপন নিউজ বিশেষ প্রতিবেদক।। কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের পাঁচজুনিয়া সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের খবর আপন নিউজ সহ গনমাধ্যমে প্রকাশের পর কলাপাড়া ইউএনও আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক জনস্বার্থে অ্যাকশন শুরু করেছেন। সোমবার মুষলধারার বৃষ্টি উপেক্ষা করে তিনি সাড়ে তিন কি.মি. দীর্ঘ খালে প্রভাবশালীদের দেয়া ১৬টি অবৈধ বাঁধের ১০টি বাঁধ কেটে দিয়েছেন। এসময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম রাকিবুল আহসান, ইউপি চেয়ারম্যান মো: রিয়াজ তালুকদার সহ স্থানীয়রা।




বৈরী আবহাওয়ার কারনে বাকী ৬টি অবৈধ বাঁধ মঙ্গলবার কেটে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন সূত্র।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, পাঁচজুনিয়া খালটি দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে।

কিন্তু স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি খালটির বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। এতে প্রায় দুই হাজার একর জমি বছরের অর্ধেক সময় ধরে পানিতে ডুবে থাকায় চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যায়। সোমবার ইউএনও, উপজেলা চেয়ারম্যান এসে বাঁধ কেটে দেয়ায় পানি নামতে শুরু করেছে। বাকী বাঁধ গুলো কেটে দিলে এ বছর চাষাবাদ করা যেতে পারে।

ধানখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার বলেন, ’জনগনের স্বার্থে খালের অবৈধ বাঁধ কেটে দেয়া হয়েছে। গ্রামের কৃষকরা এখন চাষাবাদের জন্য জমি প্রস্তুত করতে পারবেন।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক বলেন, ’নদী, সরকারী খাল, জলাশয় ও স্লইজ গেট দখলে তৈরী যেকোন অবৈধ বাঁধ জনস্বার্থে পর্যায়ক্রমে অপসারন করা হবে। এগুলো অপসারনে ইতোমধ্যে বেশ কিছু কেস নথি তৈরী করে জেলায় পাঠানো হয়েছে। লকডাউনের পর জেলা থেকে ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হলে অপসারন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।’

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 aponnewsbd
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!