মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
বিএনপি জোট তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে দাবি তা সংবিধান পরিপন্থী- মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী কলাপাড়ায় আলীপুর-মহিপুর মৎস্য অবতরন কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী গলাচিপায় পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহে প্লাষ্টিকের বেঞ্চ বিতরন আজ উদ্বোধন হচ্ছে মহিপুর ও আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র সরকার ও সাংবাদিকদের মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে অনিবন্ধিত ৫৯টি আইপিটিভি বন্ধ করল বিটিআরসি কুয়াকাটায় খালের ওপর পরিত্যক্ত কালভার্টে মুরগি বেচা-কেনার দোকানপাট আমতলীতে মুজিব কোর্ট নিয়ে ইমামের মিথ্যাচার ও কটুক্তি গলাচিপায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প স্বাবলম্বী হওয়ার পথে কলাপাড়ার ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের সদস্যরা
গলাচিপায় ভরা মৌসুমেও ইলিশের অভাব, দুশ্চিন্তায় জেলেরা

গলাচিপায় ভরা মৌসুমেও ইলিশের অভাব, দুশ্চিন্তায় জেলেরা

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা।। গলাচিপায় ভরা মৌসুমেও জেলেরা ইলিশ মাছের দেখা পাচ্ছে না, এতে দুঃসময় পার করছেন জেলেরা।

শ্রাবণ মাসে যে পরিমান ইলিশ পাওয়ার কথা কাংখিত সেই মাছ পাচ্ছে না জেলেরা। ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টি আছে, সঙ্গে আছে পূবালী বাতাস। গভীর সাগরে সব ধরনের মাছ ধরায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবার পর জেলেরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন, ভেবেছিলেন নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশের দেখা মিলবে। কিন্তু ইলিশের ভরা মৌসুমেও উপজেলার জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না রূপালী ইলিশ। তবে মৎস্য বিশেষজ্ঞরা আশাবাদী, শিগগিরই জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে। জ্যৈষ্ঠ থেকে ভরা মৌসুম চলছে ইলিশের। কিন্তু জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণেও আশানুরূপ দেখা মিলছে না।

নিষেধাজ্ঞার পর গত শুক্রবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরা শুরু হয়। কিন্তু নদ-নদী ও সাগরেও দেখা মিলছে না তেমন ইলিশের। সাগরে মোটামুটি ইলিশ পাওয়া গেলেও আগুনমুখা, রামনাবাদ, তেতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে মাছের হাহাকার। এদিকে বাজারে ভোজনরসিকদের চোখ ইলিশের ডালির দিকে। অন্য বছর এই সময়ে নদীর ঝাঁকা রূপালি ইলিশে ভরা থাকলেও এ বার ঠিক উল্টো। ইলিশের মৌসুমেও ইলিশ ধরতে না পারায় দুর্দিনে পড়েছেন জেলেরা। ভোজন রসিক বাঙালির মনটাও খারাপ। একই সঙ্গে হতাশ মাছের আড়তের মালিকরাও।

সারা দিনে দুই এক ঝুড়ি মাছ ঘাটে আসলেও তেমন হইচই নেই ফেরিঘাট, পানপট্টি লঞ্চঘাট, উলানিয়া বাজার, বদনাতলী মাছ ঘাট। সেই সঙ্গে উপজেলার হাট-বাজারগুলোতেও ইলিশের সেই হাঁকডাক নেই। ফলে উপজেলার জেলেরা হতাশায় রয়েছেন।

একদিকে করোনা সংকট, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞার পর ইলিশ না পাওয়ায় চরম দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। গলচিপা মৎস্যজীবীদের মাছ শিকারের ঠিকানা বলতে আগুনমুখা, বুড়াগৌরাঙ্গ, রামনাবাদ ও তেতুলিয়া নদী। সারা বছরই কিছু-না-কিছু মাছ মেলে এই নদী থেকে। কিন্তু বর্ষাকালে ইলিশের দৌলতেই পুঁজির জোগানটা হয়।

মৎস্য ব্যবসায়ী চুন্নু মিয়া, শহিদুল হাজী, শাহ আলী বলেন, টানা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। জেলেরা সাগরে গেছে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ এবার পাচ্ছে না। উলানিয়া বাজারের মাছ ব্যবসায়ী খালেক গাজী বলেন, এ বছর ইলিশের তেমন জোগান নেই। ইলিশের উপর অবরোধ শেষ হলেও সাগরে জেলেরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারছে না। এতে আমরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল নবী বলেন, মূলত চলতি বছরে খুব বিলম্বে বৃষ্টি হয়েছে যার ফলে ইলিশ মাছের তেমন দেখা মেলে না। বৃষ্টির পানি হইলেই মাছটা জাগে এখান বৃষ্টি হচ্ছে এখন দেখা মিলবে। বৃষ্টি যত বেশি হইবে মাছের তত দেখা মিলবে। তবে ভোলাসহ উপক‚লীয় কিছু কিছু জায়গায় মোটামুটি দেখা যাচ্ছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 aponnewsbd
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!