গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় পথে পথে ঘুরছে হতদরিদ্র পরিবার | আপন নিউজ

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় প্রিয়জন কল্যাণ পরিষদ ও পাশে দাঁড়াই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দুই দিনব্যাপী বর্ষবরণ উদযাপন শত বছরের ঐতিহ্য হারাতে বসেছে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কলাপাড়ায় দাখিল পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নাসির মোল্লা মিন্টুকে সম্মাননা দিল কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব কলাপাড়া উপজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটি গঠন আমতলীতে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সং’ঘ’র্ষে নি’হ’ত ২, আ’হ’ত ৩ কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি’র সুস্থতা কামনায় উপজেলা প্রেসক্লাবে দোয়া মিলাদ কলাপাড়ায় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা: ১৪ ফুটের ইলিশে মুগ্ধ জনতা অসুস্থতার সাথে লড়ছে শিশু বিলকিস-চিকিৎসায় থমকে আছে দরিদ্র পরিবারের জীবন কলাপাড়ায় মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০-৮০ টাকা; সাধারণ মানুষ ক্ষু’ব্ধ
গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় পথে পথে ঘুরছে হতদরিদ্র পরিবার

গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় পথে পথে ঘুরছে হতদরিদ্র পরিবার

সঞ্জিব দাস, গলাচিপাঃ গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় পথে পথে ঘুরছে হত দরিদ্র শহীদ হাওলাদার। শহীদ হাওলাদার হচ্ছেন উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আলগী তাফাল বাড়িয়া গ্রামের হাচন হাওলাদারের ছেলে। স্ত্রী ও তিন কন্যা সন্তানের পরিবারটির একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি তিনি নিজেই। জীবন যুদ্ধের এক অসহায় দিন মজুরের জীবনের গল্প বড়ই করুন। জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে মানুষের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজের বলতে বাবার দেয়া দুই শতক জায়গা আছে। আর সেই জায়গায় কোন রকম ছাউনি দিয়ে থাকে শহীদ হাওলাদার। ঘর তোলার সামর্থ্য তার নেই। কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে উঠেছেন শহীদ হাওলাদার। বয়স হয়ে গেছে। আগের মত আর কাজ করতে পারেন না বলে তিনি আজ হতাশাগ্রস্থ। পরের কাজ করে কত আর ভাল থাকা যায়। সংসারে অভাব অনটন লেগে থাকে প্রতিটি মূহুর্ত।

শহীদ হাওলাদার বলেন, সময়ের সাথে সাথে সবকিছুই আজ কেমন যেন অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। নিজের ইচ্ছা থাকলেও মেয়েদেরকে ঠিকমত মানুষ করতে পারছি না। আমার কোন ছেলে না থাকায় সংসারের ঘানি আমাকে এখনো বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। দিন দিন শরীরের কাজ করার ক্ষমতা কমে যাইতেছে। জীবনে মনে হয় ঘর তুলে শান্তি করা হবে না আমার। স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে দিন কাটাতে হয় বড় কষ্টের মাঝে। বর্ষা এলেই নেমে আসে জীবনের সবচেয়ে বড় কালো অধ্যায়। বৃষ্টির পানিতে ভিজে যায় ঘরের ভিতরের সবকিছু। ঘর ঠিক করানোর মত টাকাও নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরিব মানুষেরে ঘর দিতেছেন। তাই আমি যদি একটা ঘর পেতাম তাহলে শেষ বয়সে একটু সুখে কাটাতে পারতাম।

ইউপি সদস্য মো. মামুন সরদার বলেন, আসলেই শহীদ অসহায় ও গরিব। সরকারি একটি ঘর পেলে তার খুব উপকার হতো।

আমখোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, সরকারিভাবে একটি ঘর পেলে অসহায় পরিবারটি ভালো থাকতো। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি। অসহায় পরিবার হলে অবশ্যই ঘর পাবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!