আমতলীতে তরমুজের বাম্পার ফলন; বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক | আপন নিউজ

শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় অ্যাডভোকেট জেড এম কাওছার নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত পর্যটক সেজে অটোরিকশা ছিনতাইকারী চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তারের পর কারাগারে কলাপাড়ায় কৃষকের ১২ হাজার তরমুজের চারা নষ্ট; কৃষক ফরিদের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার কলাপাড়ায় স্কুলের গেটের তালা ভেঙে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করলেন ইউএনও নিউইয়র্কে মেয়র জোহরান মামদানির উত্তরসূরি হিসেবে কলাপাড়ার মেরী জোবাইদা কমার্স মানে নিজের ভবিষ্যতের উপর নিয়ন্ত্রণ নেয়া শিক্ষকরা আন্দোলনে আমতলীতে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন; পরীক্ষায় হ-য-ব-র-ল বঙ্গোপসাগরে সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ: নৌবাহিনীর বাৎসরিক সমুদ্র মহড়া-২০২৫ সমাপ্ত গলাচিপায় বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনা ও সাবেক এমপি শহীদ শাহজাহান খানের স্মরণ সভা গলাচিপায় ১৫ বছর পর জন্মভূমি ফিরে ইখতিয়ার রহমান কবির
আমতলীতে তরমুজের বাম্পার ফলন; বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

আমতলীতে তরমুজের বাম্পার ফলন; বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

আমতলী প্রতিনিধিঃ
বরগুনার আমতলী উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। চলমান করোনা ভাইরাস সংক্রামনে ক্রেতা সঙ্কটে বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা। কৃষকরা জানান, বাম্পার ফলন হলেও করোনা ভাইরাসের কারনে ক্রেতা কম থাকায় কম মূল্যে তরমুজ বিক্রি করতে হবে। এতে লাভের মুখ দেখাতো দুরের কথা আসল টাকা উঠবে না। তারা সরকারীভাবে তরমুজ  বাজারজাত করনের দাবী করেন।
জানাগেছে, উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের এ বছর তরমুজের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে এক হাজার ২’শ হেক্টর। এক হাজার ২০ হেক্টর অর্জিত হয়েছে বলে জানান উপজেলা কৃষি অফিস। ফলনও ভালো হয়েছে। গত বছরের লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখতো কৃষকরা। কিন্তু প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রমণে সরকার সারাদেশব্যাপী অঘোষিত লকডাউন দিয়েছে। এতে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে তরমুজের ক্রেতা সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ক্রেতা সঙ্কটে তরমুজ বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা। আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের তরমুজ চাষি মোঃ আবু সায়েম হাওলাদার বলেন, তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে কিন্তু তরমুজের ক্রয় করতে কোন পাইকার আসছে না। দুই একজন পাইকার এসে চলে যায় কিন্তু দাম বলছে না।  তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে তরমুজ ক্রেতা কম।
তরমুজ চাষি রুবেল বলেন, তরমুজের কোন পাইকার নাই। মোরা তরমুজ নিয়া কি হরমু হেইয়্যা চিন্তা হইর‌্যা কুল পাই না। করোনা ভাইরাসে মোগো তরমুজ চাষিদের কপাল পুইর‌্যা হ্যালাইছে।
কুকুয়া গ্রামের কৃষক রাজ্জাক মৃধা বলেন, সাড়ে আট লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজের ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারনে ক্রেতা পাচ্ছি না। তরমুজ বিক্রি নিয়ে মহাচিন্তা আছি।
গাজীপুর গ্রামের কৃষক বাহাউদ্দিন বলেন, ৭ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। যদি করোনা ভাইরাসের প্রভাব কমে যায় এবং ক্রেতা পাই তাহলে লোকসান হবে না। লাভে বিক্রি করতে পারবো।
হলদিয়া ইউনিয়নের কুলইরচর গ্রামের কৃষক জাফর প্যাদা বলেন, তরমুজতো ভালোই অইছে কিন্তু মরণ অবস্থা। গাড়ী চলে না, ক্রেতা নেই। ব্যাচতে পারছি না। করোনায় মোগো কপাল খাইয়্যা হালাইছে।
আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার সিএম রেজাউল করিম বলেন, তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারনে ক্রেতা সঙ্কটে তরমুজ চাষিরা। করোনা ভাইরাসের এ অবস্থা কেটে গেলে ভালো লাভবান হবে চাষিরা। কিন্তু বর্তমান অবস্থা সচল থাকলে চাষিদের অনেক লোকজসান গুনতে হবে। তিনি আরো বলেন,সরকার যদি বাজারজাত করনের উদ্যোগ নেয় তাহলে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!