শুক্রবার, ৩০ Jul ২০২১, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি; ১১ জেলে উদ্ধার গলাচিপায় হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামী গ্রেফতার গলাচিপায় লকডাউনের ৭ম দিনে ব্যাপক তৎপর উপজেলা প্রশাসন তিন ঘন্টার ব্যবধানে আমতলী হাসপাতালে করোনা ইউনিটে দুইজনের মৃত্যু অভ্যন্তরীন কোন্দলের জের ধরে কলাপাড়ায় ছাত্রলীগ নেতার হাতের কব্জি কর্তন গলাচিপায় কঠোর লকডাউনে তৎপর প্রশাসন ও সেনাবাহিনী গলাচিপায় টানা বর্ষণে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল নলছিটিতে সাংবাদিকের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কলাপাড়ায় মিলাদ ও দোয়া করোনায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ঝালকাঠী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মৃত্যু
উপবৃত্তি বঞ্চিত আমতলীর ২৪০৫ শিক্ষার্থী

উপবৃত্তি বঞ্চিত আমতলীর ২৪০৫ শিক্ষার্থী

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসুচীর স্কিম পরিচালকের এক আদেশে আমতলী উপজেলার দুই হাজার ৪’শ ৫ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি বঞ্চিত হয়েছেন। উপজেলার পাঁচটি কলেজ ও ছয়টি স্কুলের কারিগরি শাখার নবম, দশম, একাদ্বশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর এ শিক্ষার্থীরা। উপবৃত্তি বি ত হওয়ায় ওই শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে দাবী করেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।





জানাগেছে, ২০১১ সালে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসুচী হাতে নেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। ওই কর্মসুচীর আওতায় আনা হয় স্কুল ও কলেজের অসচ্ছল, হতদরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের। ভালোই চলছিল এ কার্যক্রম।

গত ৮ বছর ধরে আমতলী উপজেলার পাঁচটি কলেজ ও ছয়টি স্কুলের কারিগরি শাখার শিক্ষার্থীরা এ উপবৃত্তি পেয়ে আসছিল। ২০২০ সালের ১২ ডিসেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসুচীর স্কিম পরিচালক শরীফ মোর্তজা মামুনের স্বাক্ষরিত এক আদেশে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অথবা অন্য কোন বোর্ড বা সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সমন্বিত উপবৃত্তির কর্মসুচীভুক্ত হবে না মমে আদেশে উল্লেখ করেন। ওই আদেশের কারনে উপজেলার পাঁচটি কলেজ এবং ছয়টি স্কুলের দুই হাজার ৪’শ ৫ জন শিক্ষার্থী ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের উপবৃত্তি বঞ্চিত হয়েছেন। উপবৃত্তি বঞ্চিত হওয়ায় শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ওই শিক্ষার্থীরা ঝড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবী করেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। দ্রুত কারিগরি শাখার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন উপবৃত্তি বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা।

খোজ নিয়ে জানাগেছে, আমতলী সরকারী কলেজ, বকুলনেছা মহিলা কলেজ, ইউনুস আলী খান কলেজ, চাওড়া কারিগরি কলেজ, আলহাজ্ব আব্দুল খালেক টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ, সরকারী একে স্কুল, এমইউ বালক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এমইউ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাঠালিয়া তাজেম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রহমানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুই হাজার ৪’শ ৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ কারিগরি শাখার ওই শিক্ষার্থীদের যাচাই বাছাই শেষে উপবৃত্তির তালিকা অধিদপ্তরে প্রেরন করেন। কিন্তু অধিদপ্তর ওই শিক্ষার্থীদের তালিকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ফেরত পাঠায়। এতে পুরোপুরি স্কুল এবং কলেজের শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তি বঞ্চিত হয়েছেন।

বকুলনেছা মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী সানজিদা, সুমি আক্তার ও এ্যনি তালুকদার  বলেন, উপবৃত্তি না পেলে আমাদের লেখাপড়ায় সমস্যা হবে। উপবৃত্তির আওতায় আনার দাবী জানাই।

আমতলী সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, ২০১৯-২০ অর্ধ বছরে কারিগরি শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ শাখায় দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করে। উপবৃত্তি বন্ধ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ঝড়ে পড়ার সম্ভবনা রয়েছে। দ্রুত কারিগরি শাখার শিক্ষার্থীদের সমন্বিত উপবৃত্তি প্রকল্পের আওতায় আনার দাবী জানান তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জিয়া উদ্দিন মিলন বলেন, উপজেলায়  দুই হাজার ৪’শ ৫ জন কারিগরি শাখার শিক্ষার্থী রয়েছে। ওই শিক্ষার্থীরা সমন্বিত উপবৃত্তি প্রকল্পের আওতায় উপবৃত্তি পেতো। কিন্তু ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ওই উপবৃত্তির প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 aponnewsbd
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!