শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
তালতলীতে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু কলাপাড়ায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীকে কুপিয়ে জখম; আটক-৪ আমতলীতে ১০ কেজি চালের জন্য ভাইয়ের ছেলের ছুরিকাঘাতে কৃষক চাচা খুন মরহুম ইঞ্জিনিয়ার কুতুব উদ্দিন’কে গলাচিপা আ.লীগের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন কলাপাড়া প্রেসক্লাবে পৌর প্যানেল মেয়র হুমায়ুন কবির স্বস্ত্রীক চা-চক্রে মিলিত গলাচিপায় গাঁজাসহ দুই মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার কলাপাড়ায় পারস্পরিক শিখন কর্মসূচী প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ প্রকল্পের উপজেলা কর্মশালা নিউজপোর্টাল বন্ধ করাটা আত্মঘাতি হবে-প্রেস ইউনিটি আদালত এখন আমার ভালোই লাগে-চিত্রনায়িকা পরীমনি কলাপাড়ায় অনলাইনে উদ্ভিদ বিক্রি করে সফলতা
কলাপাড়ায় বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না

কলাপাড়ায় বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না

আপন নিউজ অফিসঃ কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ৬ নং আনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা। সয়েল টেষ্ট হলেও এখন পর্যন্ত নতুন ভবনের অনুমোদন হয়নি। বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।




আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ঘোষনায় পাঠদানের প্রস্তুতি নিচ্ছে কলাপাড়ার শিক্ষকরা। এরই মধ্যে বিদ্যালয়ের ভবনের ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা একের পর এক ধসে পড়ছে। হঠাৎ করে জলছাদ ধসের কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যালয় ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৩ সালে আনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সাথে চলছিল। গত ৭ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করে বিদ্যালয়ের জলছাদের অনেকাংশে ধসে পড়ে।

দেয়ালের অনেক জায়গায় ধরেছে ফাটল। বর্তমানে স্কুলের ভবনটি কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করা সম্পূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ। দুই বছর আগে মাটি টেস্ট হলেও আজ পর্যন্ত কোন নতুন ভবন তৈরির করা হয়নি।

আনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তৈয়বুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি ব্যবহরের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বিদ্যালয় ভবন যেকোন সময় ধসে গিয়ে শিক্ষকসহ কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের জীবন নাশের হুমকি হতে পারে।

এ ব্যাপারে আনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম কাজল মৃধা বলেন, জজরাজীর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষগুলো সব জায়গায় বড় বড় ফাটল, ভীম গুলো রড থেকে আলাদা হয়ে খসে পড়েছে, কলামের ঢালাই রড থেকে আলাদা হয়ে গেছে জল ছাদ ধসে পড়েছে বিধায় পাঠদান করা সম্পুর্ন ঝুঁকিপূর্ণ।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার জানান, খবর পেয়েছি। আমরা বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। একই সাথে বরাদ্দ চেয়ে প্রস্তাবনাও পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 aponnewsbd
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!