ঘূর্ণিঝড় রেমালে গলাচিপায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ২৫ কোটি টাকার ক্ষতি | আপন নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় দুর্ধ’র্ষ চু’রি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লু’ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে কলাপাড়ায় অভিভাবক সমাবেশ তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা আমতলীতে ছয় শতাধিক মসজিদে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের মাঝে গণভোটের প্রচারনা আমতলীতে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরন সুষ্ঠু ভোট হলে সরকার গঠনে বিএনপিই এগিয়ে থাকবে: এবিএম মোশাররফ হোসেন গলাচিপায় নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল উপহার পেল ২৮ শিশু ক্ষুদ্র জেলে সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির ১২তম বার্ষিক সভা
ঘূর্ণিঝড় রেমালে গলাচিপায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ২৫ কোটি টাকার ক্ষতি

ঘূর্ণিঝড় রেমালে গলাচিপায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ২৫ কোটি টাকার ক্ষতি

সঞ্জিব দাস, গলাচিপাঃ ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে গলাচিপা উপজেলায় কৃষি ও মৎস খাতে ২৪ কোটি ৩৫ লাখ ৩ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি খাতে ১৮ কোটি ৩৫ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং মৎস্য খাতে প্রায় ৬ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

রেমালের টানা ১৬ ঘণ্টার তাণ্ডব ও ৫-৭ ফুট পানি বৃদ্ধিতে গলাচিপা উপজেলাজুড়ে ক্ষতির এ দৃশ্য জোয়ারের পানি নেমে যাওয়ার পর ফুটে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে আউশ বীজতলা, চীনাবাদাম, তিল, মরিচ, গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি, কলা চাষ, পানের বরজ ও বহু বর্ষজীবী ফলের বাগান ছিল। ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির। উপজেলার ৩৫০ হেক্টর জমিতে শাকসবজির আবাদ করা হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড়ে ২৮০ হেক্টর জমির ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে। চার হাজার ২৪০ জন কৃষকের এই ক্ষতির পরিমাণ ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর্থিক ক্ষতির দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে চীনাবাদাম। ২৮৫ হেক্টর জমির ৭ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার চীনাবাদামের আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে। ২১০ হেক্টর জমির পান বরজে ক্ষতি হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। ১৫০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের বীজতলা ছিল, যার ৬০ হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। উপজেলায় ২৫ হেক্টর জমিতে কলার চাষ হলেও তার অর্ধেকই নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া ৮২ হেক্টর জমির মরিচ, ৬ হেক্টর জমির তিল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলার আট হাজার ৬৯০ জন কৃষকের ক্ষতি হয়েছে ১৮ কোটি ৩৫ লাখ ৩ হাজার টাকা।

এ দিকে বেড়িবাঁধ ভেঙে ও বেড়িবাঁধ বিহীন এলাকাগুলোতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে ভেসে গেছে মাছের ঘের। উপজেলার প্রায় ৩ হাজার পুকুর ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার জানান, মাঠে বিভিন্ন ধরনের ফসল রয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি ও টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণে ফসলের ক্ষতির পরিমাণটা এত বেশি।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!