মঙ্গলবার, ২৭ Jul ২০২১, ১২:১৫ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ গলাচিপায় এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা গলাচিপায় ভরা মৌসুমেও ইলিশের অভাব, দুশ্চিন্তায় জেলেরা সরকারি খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের আপন নিউজে খবরে কলাপাড়া ইউএনও’র অ্যাকশন কলাপাড়া সাংবাদিক ফোরামের সদস্য জুলহাস মােল্লাকে প্রাণনাশের হুমকি কলাপাড়ায় বাবার কাছে টাকা চেয়ে না পেয়ে ছেলের আত্মহত্যা পিয়ন থেকে কলেজের অধ্যক্ষ; সার্টিফিকেট জালিয়াতিসহ নানা অপকের্মর অভিযোগ আমতলী ও তালতলীতে পানির নীচে আমনের বীজতলা; ভয়াবহ জলাবদ্ধতা খাদ্য সহায়তার জন্য গলাচিপায় ৩০’টাকায় চাল ও ১৮’আটায় বিক্রি শুরু গলাচিপায় ঘরের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে পরিবারটি
চাষীকে তরমুজ বিক্রীর পরিবনের ব্যবস্থা করলো তালতলীর ইউএনও

চাষীকে তরমুজ বিক্রীর পরিবনের ব্যবস্থা করলো তালতলীর ইউএনও

তালতলী প্রতিনিধিঃ

তালতলীতে ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে তরমুজ। করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন থাকায় পাইকারা তরমুজ ক্রয় করতে আসেনি আর পরিবনের ব্যবস্থা না থাকায়। ক্ষেতেই তরমুজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাই তরমুজ বিক্রী করতে পারেনি চাষী হারুন। এজন্য তালতলী উপজেলা নিবাহী অফিসার তাকে তরমুজ বিক্রীর জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করে লিখিত প্রত্যায়ন দেন।
জানা যায় উপজেলার কবিরাজ পাড়া এলাকার চাষী হারুন অর রশিদ বিভিন্ন এনজিও,ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ও স্থানীয় রাখাইনের জমি নগতটাকা দিয়ে ৮ একর জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করেন। প্রতিদিনই তরমুজ ক্ষেতের পরির্চচা করেন তিনি। এর পরে ক্ষেতে গত বছরের চেয়ে ভালো ফলনও ধরেন। চাষী হারুনের মুখে আনন্দের হাসি থাকার কথা থাকলেও দেশে চলমান করোনা ভাইরাসের কারণে সঠিক সময় তরমুজ বিক্রি না করতে পেরে মুখে হাসির পরিবর্তে রয়েছে বিষন্নতার ছাপ। একদিকে আসছে না তরমুজ পাইকারীরা অন্যদিকে লকডাউনের কারনে সাপ্তাহিক ও দৈনিক হাটগুলোতে নেই খুচরা ক্রেতারা। আর বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাটের যোগাযোগের খুবই বেহাল। ঋণ বোঝা মাথায় নিয়ে পথে বসতে চলেছেন তরমুজ চাষী হারুন। এতে করে তার পরিবারেও চলছে হাহাকার। এজন্য চাষী হারুন প্রশাসনের সহযোগিতা চায়। এ ঘটনায় বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পরে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান শুক্রবার (১ মে) চাষী হারুনকে তরমুজ বিক্রীর জন্য পরিবহনের ব্যবস্থাসহ সকল ধরনে সুযোগা সুধিদা করে দেন। এতে খুশি চাষী হারুনের পরিবার।
চাষী হারুন অর রশিদ বলেন বিভিন্ন যায়গা থেকে ঋণ নিয়ে ৮ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলাম। এখন করোনা ভাইরাসের কারণে তরমুজ বিক্রি করতে না পেরে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কায় আছি। এখন নতুন করে বৃষ্টির কারণে ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তরমুজ। তাই পরিবার নিয়ে এখন পথে বসতে হচ্ছে। এই খবর পেয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান আমাকে তরমুজ বিক্রীর জন্য ব্যবস্থা করে দেওয়াতে কিছুটা হলেও লাভবান হতে পারবো। তিনি আরও বলেন প্রশাসনের এমন কাজে খুশি হয়েছি। ইউএনও স্যার আমাদের পরিবারের সকল ধরনের সুযোগ সুধিদা দেখবেন।
এবিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক জেলা প্রশাসনের অনুমতির পরিপেক্ষিতে পচনশীল কৃষি পন্য বাজারজাত করার জন্য চাষী হারুন অর রশিদকে তার ক্ষেতের তরমুজ বিক্রীর জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন চাষী হারুন কে এছাড়ও তাকে সকল ধরণের সহযোগিতা করা হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 aponnewsbd
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!