রবিবার, ২৫ Jul ২০২১, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন

পায়রা বন্দরে ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের বসতঘর তালিকাভূক্তির দাবিতে মানববন্ধন

পায়রা বন্দরে ভূমি অধিগ্রহনে ক্ষতিগ্রস্থদের বসতঘর তালিকাভূক্তির দাবিতে মানববন্ধন

আপন নিউজ ডেস্ক:

পায়রা বন্দরের ভূমি অধিগ্রহনে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের বসতঘর তালিকাভূক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চর চান্দুপাড়া (বুড়োজালিয়া জেলে পল্লী) এলাকায় ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ভ‚ক্তভোগী পরিবার এ মানববন্ধন করেন। ২৭টি পরিবারের বসতঘরে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত এইচ.বি নাম্বার থাকা সত্ত্বেও পটুয়াখালী এল.ও অফিসের কতিপয় অসাধূ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবৈধ সুযোগসুবিধা দিতে না পারায় তাদের বসতঘর তালিকার আওতায় নেয়া হচ্ছে না বলে ভূক্তভোগীরা মানববন্ধনে দাবি করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের একাধিক ঘড়বাড়ি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়ে নেয়। ২০১৪ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিটি ঘর যাচাই-বাচাই সাপেক্ষে তালিকাভূক্ত করণের জন্য এইচ.বি নাম্বার দেয়। এইচ.বি নাম্বার অনুযায়ী অন্যান্য ঘর তালিকাভ‚ক্ত করা হলেও স্থানীয় ২৭টি পরিবারের ঘর তালিকার আওতায় নেয়া হয়নি। ওই ২৭টি ঘরের প্রতিটিতে পায়রা বন্দর কর্তৃক এইচ.বি নাম্বার থাকা সত্ত্বেও অবৈধ অর্থ দিতে না পারায় তাদের ঘরগুলো তালিকায় অর্ন্তভুক্তি করা হয়নি বলে ভূক্তিভোগীরা মানববন্ধনে অভিযোগ তুলেন। তাদের মতে, প্রতিটি ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হিসাবে তালিকাভূক্তি করার জন্য পটুয়াখালী এল.ও অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবৈধ অর্থ দিয়ে ঘর তালিভূক্ত করতে হয় বলে বক্তারা জানান।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য মো. মহসীন দালাল ও সোহেল প্যাদা মানববন্ধনে বক্তব্যে বলেন, আমাদের প্রতিটি ঘরে এইচ.বি নাম্বার রয়েছে। ২০১৪ সালে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের প্রতিটি ঘর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হিসাবে তালিকাভূক্ত করে এইচ.বি নাম্বার দেয়। কিন্তু আমরা এল.ও অফিসের কর্মকর্তাদের অর্থ দিয়ে খুশি করতে না পারায় আমাদের ঘরগুলো তালিকার বাহিরে রেখে দেয়। আমরা এর সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আমাদের ঘরগুলো তালিকাভ‚ক্তির আওতায় নেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামান করেন তারা।
এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তব্যে ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারন সম্পাদক শাহীন তালুকদার ও উক্ত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাফর আলী হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, পটুয়াখালী এল.ও অফিসের অসাধূ কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নতুন ঘর তালিকাভ‚ক্ত হলেও ৩০ বছর পূর্বের ঘর তালিকাভূক্তি হয়নি। এমনকি পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতিটি ঘরের এইচ.বি নাম্বার থাকা সত্ত্বেও ২৭ টি পরিবার তালিকার বাহিরে রয়ে যায়।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 aponnewsbd
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!