ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন; টাকা ফেরত চাইতে গেলে হুমকি; সংবাদ সম্মেলন | আপন নিউজ

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
পিতা-মাতারা ছাত্রদ‌লের নেতৃ‌ত্বে! বিএন‌পি কোন প‌থে? হাসপাতালে দালাল-সিন্ডিকেট চক্রকে প্রতিমন্ত্রী নুরের হুঁশিয়ারি কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু গরুর ভেক্সিনে অতিরিক্ত টাকা আদায় কলাপাড়া পশু হাসপাতালের বি’রু’দ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আমতলীতে বিএনপি নেতার বি’রু’দ্ধে শ্রমিকদল নেতার সংবাদ সম্মেলন কৃষি উৎপাদন ও গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করছে সরকার-এমপি এবিএম মোশাররফ হোসেন ঘোড়ার গাড়িতে ব্যতিক্রমী বিদায়, প্রধান শিক্ষক ছগির আহমেদকে সংবর্ধনা কলাপাড়ায় ভাড়াটিয়া বাসায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কলাপাড়ায় ধানের লাভজনক দাম,কৃষকের ক্ষতিপূরন সহ নানা দাবিতে কৃষক সমাবেশ
ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন; টাকা ফেরত চাইতে গেলে হুমকি; সংবাদ সম্মেলন

ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন; টাকা ফেরত চাইতে গেলে হুমকি; সংবাদ সম্মেলন

আমতলী প্রতিনিধিঃ গ্রাম পুলিশ (মহল্লাদার) নিয়োগ দেয়ার কথা বলে তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরাজী মোঃ ইউনুস ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহন করেও চাকুরী দেয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন পোষ্য কোঠায় আবেদনকারী মোঃ শাহীন। তিনি আরো অভিযোগ করেন ৮ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চেয়ারম্যান পোষ্য কোঠা গোপন করে তার পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য রহিমা বেগমের ছেলে রানাকে নিয়োগ দিয়েছেন। চেয়ারম্যানের কাছে আমার দেয়া টাকা চাইতে গেলে তিনি আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে। আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। চেয়ারম্যানের ভয়ে আমি পালিয়ে বেড়াচ্ছি।

দ্রুত এ নিয়োগ কার্যক্রম বাতিল করে পুনরায় কোঠা অনুসারে নিয়োগ দেয়ার দাবী জানিয়েছেন তিনি

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাহীন বলেন, উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদে আমার দাদা হয়রত আলী  গ্রাম পুলিশ হিসেবে চাকুরী শেষে অবসরে যান। এরপর আমার বাবা শাহ আলমকে পোষ্য কোঠায় একই পদে চাকুরী দেন তৎকালিন চেয়ারম্যান সেকান্দার আলী জোমাদ্দার। আমার বাবার চার বছর চাকুরী থাকা অবস্থায় বর্তমান চেয়ারম্যান ফরাজী ইউনুস গত বছর ৭ নভেম্বর উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। আমি জানতে পেরে চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি  (চেয়ারম্যান) আমাকে পোষ্য কোঠায় নিয়োগ দেয়ার প্রতিশ্রæতি দেন এবং আমার কাছে আট লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করেন। আমি তাৎক্ষনিক তাকে (চেয়ারম্যান) পাঁচ লক্ষ টাকা দেই। গত বছর ১৩ ডিসেম্বর তালতলী উপজেলা পায়রা সম্মেলন কক্ষে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষায় আমি অংশ গ্রহন করি। কিন্তু  ইউপি চেয়ারম্যান ফরাজী ইউনুস আমার পোষ্য কোঠা গোপন রেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুপমাকে ভুল বুঝিয়ে তার ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য রাহিমা বেগমের ছেলে রানাকে নিয়োগ দেয়। আমি জানতে পেরে আমার টাকা ফেরত চাইতে গেলে চেয়ারম্যান (ফরাজী ইউনুস) আমার টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন এবং আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চেয়ারম্যানের ভয়ে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি বাড়ী যেতে পারছি না। আমি পালিয়ে বেড়াচ্ছি। দ্রæত এ নিয়োগ বাতিল করে যথাযথ কোঠা অনুসারে নিয়োগ দেয়ার দাবী জানাই। তিনি আরো বলেন, আমি পুলিশ প্রশাসনের কাছে জীবনের নিরাপত্তা চাই।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউপি চেয়ারম্যান ফরাজী মোঃ ইউনুস ভয়ভীতি প্রদর্শণের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা। আমি কোন টাকা নেইনি। পোষ্য কোঠার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পোষ্য কোঠা সংরক্ষণ করবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও  নিয়োগ বোর্ড। এখানে আমার কিছুই করার ছিল না। শাহীনের বাবার চার বছর চাকুরী থাকা সত্তেও কিভাবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

তালতলী থানার ওসি শহীদুল ইসলাম খাঁন বলেন, অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!