বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন

চঞ্চল সাহাঃ কলাপাড়ায় সরকারী মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজের ইংরেজী বিষয়ের প্রভাষক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম কলেজ অধ্যক্ষ ও সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯২৪ টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।
সোমবার এমন ঘটনা ঘটায় বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বিষয়টি ধামা-চাঁপা দিতে ব্যাংক ব্যবস্থাপক কখনো স্বীকার করছেন আবার কখনো অস্বীকার করছেন।
তবে অভিযুক্ত প্রভাষক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বিষয়টি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করছেন।
জানা গেছে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের এক চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করার ঘটনা প্রমানিত হওয়ায় ২০০৯ সালে প্রভাষক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামকে কলেজ ম্যানেজিং কমিটি সাময়িক সাসপেন্ড করে রাখে। এসময় সে খোরপোষ বাবদ তাঁর মুল বেতনের অর্ধেক টাকা উত্তোলন করার অনুমতি পায়। বাকী টাকা তার হিসেবে জমা থাকে। ২০০৯ সালের মার্চ থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত সে ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯২৪ টাকা দাবী করে একটি বিল কাগজ তৈরী করে সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দর শাখায় আবেদন করেন। এতে কলেজ সভাপতি উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা ও অধ্যক্ষ’র স্বাক্ষর জাল করে ওই টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি ব্যাংক মানেজার’র সন্দেহ হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে ঘটনাটি ধরা পড়ে।
তবে প্রভাষক শহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তিনি জানেন না। কলেজ অধ্যক্ষ’র বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত চলছে বিধায় তারা ষড়যন্ত্র করে এমন কাজ করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অধ্যক্ষ শহিদুল আলম জানান, তার সাসপেনশনের অর্থ তোলার ব্যাপারে কলেজে দুই মাস আগে একটি আবেদন করেছিল। তবে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা তাকে মোবাইল করে স্বাক্ষর জালের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো.নাজমুল হাসান জানান, ঘটনাটি সত্য নয়, আবার বলছেন ভেরিফাই হলে বলা যাবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক’র কাছে বিষয়টি জানার জন্য একাধিকবার কল করলেও তিনি তা রিসিফ করেননি।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply