বৃষ্টিহীন শ্রাবনে কৃষকের চোখে পানি ঝরার মাসে খড়া | আপন নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদযাপন কলাপাড়ায় বিধবা নারীর জমি জবরদখ’ল ও ধান কা’টা’র অভিযোগ দীর্ঘ ১৪ মাস পর মুক্তি পেলেন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ গলাচিপা থানায় নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করলেন জিল্লুর রহমান বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কলাপাড়ায় শ্রমিক দলের দোয়া-মোনাজাত কলাপাড়ায় নীতিবিরুদ্ধ সকল কাজ পরিহার করতে হবে- ইউএনও কাউছার হামিদ সফল জননী মাহমুদা বেগম পটুয়াখালী-৪ আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেন মুফতি হাবিবুর রহমান কলাপাড়ায় লালুয়া ইউ.সি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ড্রেজারের ১৩টি পাইপ কু’পি’য়ে নষ্ট আমরা কলাপাড়াবাসী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান
বৃষ্টিহীন শ্রাবনে কৃষকের চোখে পানি ঝরার মাসে খড়া

বৃষ্টিহীন শ্রাবনে কৃষকের চোখে পানি ঝরার মাসে খড়া

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা।। দেশের দক্ষিন অঞ্চল বৃষ্টিহীন শুকিয়ে যাচ্ছে ধানের বীজতলা, ফেটে চৌচির চাষাবাদি জমি। চাষাবাদ বন্ধ গরুর হাল, পাওয়ার টিলার পড়ে আছে যত্রতত্র অকারন। প্রায় সারাদেশ সহ দেশের দক্ষিন অঞ্চলের গলাচিপা উপজেলায় সব যায়গায় ধান রোপনের সময়। সাধারনত পটুয়াখালী অঞ্চলে কৃষকগন শ্রাবন ভাদ্র মাসে ইরি সহ বিভিন্ন জাতের ধান রোপন করে থাকেন। কৃষকদের সবধরনের বীজ নির্দিস্ট সময়ে বড় হয়ে গেছে রোপন করার সময় অতিবাহিত হতে চলেছে। কৃষকগণ বলছেন সৃষ্টিকর্তা আমাদের ওপর নারাজ হয়েছে কি না যানিনা তবে বর্ষার ভরা মৌসুমে যথাযথ পরিমান বৃষ্টি না থাকায় আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। বেশিরভাগ কৃষক বলছেন তাদের বীজতলাগুলো শুকিয়ে বীজ প্রখর রোদের তাপে প্রায় পুড়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে বিস্তারিতভাবে যানতে পারে যে অনেক কৃষক মহাজনদের নিকট থেকে চড়া সুদে টাকা নিয়ে চাষাবাদ শুরু করেছে, আবার স্বল্প আয়ের কৃষকেরা তাদের সঞ্চয় দিয়ে চাষাবাদ শুরু করেছে কিন্তু নিয়তি তাদের স্বপ্ন আশা ধুলিস্যৎ করতে বসেছে। আবার অনেক কৃষকগন বলছেন যদিও একটু নদীনালা বা খাল থেকে পানির সেচ দেব তাও এলাকার কিছু প্রভাবশালীরা খালে ঘন ঘন বাঁধ দিয়ে পানির প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে। সরকারি খালগুলো দখল করে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করা হয়েছে অথচ কৃষক ভরা মৌসুমে পানির অভাবে ফসল ফলাতে পারছে না। অনুসন্ধানে আরো দেখা যায় উল্লেখিত বিভিন্ন এলাকার খালগুলোতে ছোট বড় কালভার্ট থাকলেও তার একটিতেও পানি ওঠানো এবং নামানোর জন্য কোন কপাট নেই। মানুষ প্রয়োজনে পানি ধরে রাখতে পারছেনা আবার অপ্রয়োজনে উচ্চ পানির চাপ কমাতেও পারছেন না। কৃষকগন উপজেলা প্রশাসন কাছে ভক্তি ভরে প্রত্যাশা করছেন যেন আবাদি জমির পাশের সরকারি খালের অবৈধ বাধ গুলো কেটে পানি প্রবাহের ব্যবস্থা করা হয়।

উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার নিয়াজ খান বলেন, বৃষ্টি মূলত প্রকৃতির দান তার ওপর কারও হাত নেই তবে খালের বাঁধের বিষয়ে উপর্মহলের সাথে মাসিক সভার আলোচনায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন। অফিসার আরও বলেন এরকম ভরা শ্রাবনে ধারাবাহিক অনাবৃষ্টি চলতে থাকে তাহলে ফসল উৎপাদনে কৃষকরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!