শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন

আপন নিউজ অফিসঃ কলাপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে হামলা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের নারীসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এরা হলেন ফিরোজা বেগম (৬০) ও তার ছেলে’র হাবিবা (৩০) অপরপক্ষের বজলুর রহমান (৪৭) ও মোঃ নিজাম হাওলাদার (৫০)।
সোমবার বিকালে উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের কাছিমখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, চাকামইয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান সাথে মোঃ ইব্রাহিম, মোঃ মুছা ও আবু বাশারদের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এ সূত্র ধরে হামলা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কাছিমখালী গ্রামে মোঃ মুছা হাওলাদার ও তার ভাই আবু বাশার সোমবার বসত বাড়ির জমিতে পাকা ঘর নির্মাণের জন্য ইট নিয়ে আসলে বজলুর রহমান ও নিজাম হাওলাদার বাড়িতে ইট ঢুকাতে বাঁধা প্রদান করলে দুটি পক্ষের মধ্যে তর্ক বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এতে চারজন গুরুতর আহত হন। আহতদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত ৪ জনকেই বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার করেন কর্মরত চিকিৎসক। ঘটনাস্থানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিদর্শন করেছে।
এ বিষয়ে আবু বাশার জানান, দীর্ঘ ৪০ বছর জবরদখল করে আমাদের পৈতৃক ভিটা ও ধানি খেত সহ ১ একর ৭০ শতাংশ জায়গা মজিবের ফকিরসহ তার ভাইয়েরা চাষাবাদ করে আসছিল। কোর্টের রায় থাকা সত্ত্বেও বসত ভিটা তছনছ করে কুপিয়ে ফেলে, বারবার ঘর তুলতে গেলেও ঘর তুলতে দেয়নি তরা।
তিনি আরো বলেন, ১৩ জানুয়ারি বিকেলে বাড়ি কাজ করার জন্য ইট নিয়ে আসলে চাকামইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমানের ভাই বজলুর রহমান ও মোঃ নিজাম হাওলাদার বাধা প্রদান করে, এ সময় তারা উত্তেজিত হয়ে ঘরবাড়ি কুপিয়ে তছনছ করে, বাধা দিলে আমার মা ফিরোজা বেগম ও ছোট ভাইয়ের বউ হাবিবা কে কপিয়ে জখম করে। এছাড়া বাড়ি নির্মাণের জন্য ঘরে থাকা নগদ টাকা ও দুইটি মোবাইল সেট জোরপূর্বে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
অপরদিকে চাকামইয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
কলাপাড়া থানার ওসি মোঃ জুয়েল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply