মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হা/ম/লা-ভা/ঙচু/র, ব্যবসায়ীকে মা/রধ/র করার অভিযোগ কলাপাড়ায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে কিশোরীকে যৌ/ন নি/পীড়নের অভিযোগ, অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ মা ম লা মানবিক সহায়তায় মিলেছে ঠিকানা, এবার বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় ৭০ বছরের শানুখালা তালতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিবের প্রাথমিক সদস্য পদ স্থগিত কলাপাড়া উপজেলা বাউল সংঘের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি শহিদুল ও সম্পাদক শামীম কলাপাড়া নরসুন্দর সমবায় সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক হলেন তপন চন্দ্র শীল কুয়াকাটায় হোটেলের লাইসেন্স নবায়নের নামে ঘুষ দাবি, হাতেনাতে আটক শ্রম পরিদর্শক কুয়াকাটায় গার্ডার ব্রিজ: পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি নিরাপদ হবে জেলে পরিবার কলাপাড়ার নীলগঞ্জে অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটসাল টুর্নামেন্টের ফাইনালে হানজালা ফাইটার্স চ্যাম্পিয়ন আমতলীতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিকান্ড
কলাপাড়ায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে কিশোরীকে যৌ/ন নি/পীড়নের অভিযোগ, অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ মা ম লা

কলাপাড়ায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে কিশোরীকে যৌ/ন নি/পীড়নের অভিযোগ, অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ মা ম লা

কলাপাড়ায় কবিরাজি চিকিৎসার নামে কিশোরীকে যৌ/ন নিপীড়নের অভিযোগ, অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ মা ম লা

মেজবাহউদ্দিন মাননুঃ ঝাড়ফুঁক ও কবিরাজি চিকিৎসার নামে অসুস্থ এক কিশোরীর সঙ্গে প্রতারণা, বিয়ের প্রলোভনে দৈহিক মেলামেশায় বাধ্য করা এবং অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে কিশোরী ও তার মাকে হয়রানি এবং ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও উঠেছে। সর্বশেষ, কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে তাকে বিয়ে না করার কথা জানিয়ে এবং বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় কবিরাজ তাইজুল ইসলাম মুসা, তার স্ত্রী ফাহিমা বেগমসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা মেহেদী হাসান রিয়াজ। গত ৩১ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০২৬ সালের সংশোধনীসহ) এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর বিভিন্ন ধারায় মামলাটি করা হয়।

মামলার এজাহারে মনসাতলী গ্রামের কবিরাজ তাইজুল ইসলাম মুসা (৪০), তার স্ত্রী ফাহিমা বেগম (২৮), গলাচিপা উপজেলার অসিম গাজী (৩৫), কলাপাড়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল গনি মুন্সী (৩৮), চাকামইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া গ্রামের রাসেল আকন (৩৮), নাচনাপাড়া গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ (৫০) ও রমজান গাজী (২৮)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মেহেদী হাসান রিয়াজ কর্মস্থলের কারণে বরিশালের রূপাতলীতে থাকেন। তার স্ত্রী ও কিশোরী মেয়ে কলাপাড়ার নাচনাপাড়ায় আব্দুল ওয়াদুদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। রিয়াজের প্রথম স্ত্রীর সন্তান ওই কিশোরী। প্রায় ১৪ বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে কিশোরী তার সৎমায়ের সঙ্গে কলাপাড়ায় বসবাস করছেন। রিয়াজ মাঝেমধ্যে সেখানে এসে থাকতেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, কিশোরী অসুস্থ থাকায় তার পরিবার বিভিন্নভাবে চিকিৎসার চেষ্টা করছিল। এ সময় পূর্বপরিচিত অসিম গাজীর মাধ্যমে কবিরাজ তাইজুল ইসলাম মুসার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। চিকিৎসার নামে তাইজুল নানা কৌশলে কিশোরীকে ফুসলিয়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন এবং তার সঙ্গে দৈহিক মেলামেশা করেন। এ সময় অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে ওই ভিডিও ব্যবহার করে কিশোরীকে একাধিকবার দৈহিক মেলামেশায় বাধ্য করার অভিযোগও আনা হয়েছে। একপর্যায়ে কিশোরী ও তার মা তাইজুল এবং অসিমকে বিয়ের বিষয়ে চাপ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামিরা ভিডিওগুলো মোবাইল ফোন থেকে পেনড্রাইভে নিয়ে কিশোরীর বাড়িতে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, সেখানে কিশোরী ও তার মাকে বিষয়টি চেপে যেতে চাপ দেওয়া হয়। অন্যথায় ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এতে ওই পরিবার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন কিশোরীর বাবা।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৯-২০২৬ © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!