উপকুলীয় দুই উপজেলার ২৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে; দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি | আপন নিউজ

বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা আমতলীতে ছয় শতাধিক মসজিদে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের মাঝে গণভোটের প্রচারনা আমতলীতে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরন সুষ্ঠু ভোট হলে সরকার গঠনে বিএনপিই এগিয়ে থাকবে: এবিএম মোশাররফ হোসেন গলাচিপায় নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল উপহার পেল ২৮ শিশু ক্ষুদ্র জেলে সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির ১২তম বার্ষিক সভা কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজে নবীন বরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফিস্ট-২০২৬ কলাপাড়ায় ফেরদৌস মুন্সী হ’ত্যা’র প্র’তিবা’দে মা’ন’ব’ব’ন্ধ:ন
উপকুলীয় দুই উপজেলার ২৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে; দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি

উপকুলীয় দুই উপজেলার ২৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে; দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি

আমতলী প্রতিনিধিঃ ঘুর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব থেকে রক্ষা থেকে উপকুলীয় অঞ্চল  আমতলী-তালতলী উপজেলার অন্তত ২৫ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন আশ্রিত মানুষদের শুকনা খাবার ও আলোর ব্যবস্থা করেছেন। রাত যতই বাড়ছে ততই দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হয়েছে।এদিকে রাতে বন্যা হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে উপকুলীয় অঞ্চলের মানুষ।

জানাগেছে, ঘুর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব আজ (রবিবার) সন্ধ্যা নাগাড় পড়তে শুরু করেছে। প্রভাব শুরুর পর থেকে উপকুলীয় অ ল আমতলী-তালতলী মানুষজনকে প্রশাসনের সহায়তায় আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। আমতলী উপজেলার ১০১ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১০ হাজার মানুষজন আশ্রয় নিয়েছেন। তালতলী উপজেলার ৫৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম ও তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপার নেতৃত্বে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষদের শুকনা খাবার ও আলোর ব্যবস্থা করেছেন। এদিকে রবিবার সকাল থেকেই দুই উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে অন্তত ৫ লক্ষাধীক মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছে। ফলে দুই উপজেলার এক’শ ৫৭ টি সাইক্লোণ সেল্টারে বিদ্যুৎ নেই। ওই সকল সেন্টারে উপজেলা প্রশাসন আলোর ব্যবস্থা করেছেন। অপর দিকে সন্ধ্যার পর থেকে উপকুলীয় অঞ্চলে  দমকা বাতাস ও বৃষ্টি বইতে শুরু করেছে। রাত যতই বারছে বাতাস ও বৃষ্টি ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তালতলী উপজেলার ছাতন পাড়া গ্রামের রাখাইর বৃদ্ধাকে সিপিপির যেস্বচ্ছাসেবকরা ও আরেক বৃদ্ধকে স্বজনরা আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে।

গাবতলী এলাকার ইসহাক হাওলাদার ও নজরুল ইসলাম বলেন, রাতের বেলায় বন্যা হওয়ায় উপকুলীয় অ লের মানুষ খুবই আতঙ্কে আছে। ওই উপকুলীয় অ লের মানুষগুলো আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক বলেন, ঘুর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ইতিমধ্যে আমার এলাকার ১০ টি ঘর ভেঙ্গে গেছে। তিনি আরো বলেন, অফিস বাজার সাইক্লোণ সেল্টারে শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছি।

আমতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবয়ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ জামাল হুসাইন বলেন, এ পর্যন্ত অন্তত ১০ হাজার মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের শুকনা খাবার ও আলোর ব্যবস্থা করেছি।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, নিম্নাঞ্চলের লের ১৫ হাজার মানুষ সাইক্লোণ সেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের শুকনা খাবার ও আলোর ব্যবস্থা করেছি।রেমাল মোকাবেলায় চেষ্টা করছি।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!