কলাপাড়ায় ভাই বোনের ভিক্ষের উপার্জনও বন্ধ খোঁজ নেয়নি কেউ | আপন নিউজ

শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
ডাকসুর মতো ১২ তারিখ ট্রাকের বিজয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে- নুরুল হক নুর আগামীতে বুক ফুলিয়ে চলতে চাই, কোন দু’র্নী’তি অ’নি’য়ম সহ্য করা হবে না-ডা: জহির উদ্দিন কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে বেপরোয়া বাসের চা’পা’য় মানসিক ভারসাম্যহীন নারী নি’হ’ত কলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় দুর্ধ’র্ষ চু’রি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লু’ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে কলাপাড়ায় অভিভাবক সমাবেশ তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা আমতলীতে ছয় শতাধিক মসজিদে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের মাঝে গণভোটের প্রচারনা আমতলীতে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরন
কলাপাড়ায় ভাই বোনের ভিক্ষের উপার্জনও বন্ধ খোঁজ নেয়নি কেউ

কলাপাড়ায় ভাই বোনের ভিক্ষের উপার্জনও বন্ধ খোঁজ নেয়নি কেউ

রাসেল মোল্লাঃ

শহরে ভিক্ষাবৃত্তি করে দুবেলা-দু’মুঠো অন্নের যোগান দিতেন মোঃ আঃ রশিদ হাওলাদার( ৭০) ও তার বড় বোন মোসাঃ জয়তুন বিবি (৭৫)।
করোনার বিস্তার রোধে দোকানপাট বন্ধে রশিদ ও জয়তুন বিবি এজন্য শহরে ভিক্ষা করতে আসতে পারে না তাই নেই কোন উপার্জন। প্রতিবেশীর দেয়া খাবার খেয়ে কোন মতে চলে যায় তাদের দিন। কিন্তু এখন আর চলে না। রশিদ এর আছে বড় বোনের মেয়ে কিন্তু তারাও দরিদ্র তাদের সংসার চলে কোনে মতে সে এ পর্যন্ত ত্রাণ পায়নি। রশিদ হাওলাদার অন্ধ, নেই স্ত্রী বা সন্তান তার বড় বোন জয়তুন বিবির স্বামী বহু বছর আগে মারা গেছে। তার রয়েছে চারটি মেয়ে তাদের বিয়ে হয়ে গেছে অনেক আগে তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরানো অবস্থা। দুই ভাই বোন মিলে কলাপাড়া পৌর শহর প্রায় ২৫ বছর ধরে বিক্ষেবৃত্তি করে। একটি ছোট্ট ঘরে থাকে তারা। প্রায় বয়সের ভারে থাকে তারা অসুস্থ তাদের সব যেন ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। সরকারিভাবে রশিদ হাওলাদারের প্রতিবন্ধু ভাতার একটি বই রয়েছে আর জয়তুন বিবিরও রয়েছে বয়স্কভাতার বই। তা ছয় মাস পর টাকা পায়। কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের পূর্ব চাকামইয়া গ্রামের রাস্তার পাড়েই বসতি তাদের । গ্রামের সবাই চিনেন তাদেরকে। বুধবার সকালে ঘরে উঠে দেখা গেল, চৌকিতে ওগলা লাছা শুয়ে আছে রশিদ হাওলাদার। চৌকির ওপর টানানো ময়লা মশারির একপাশ খোলা রয়েছে। যেন ভাগ্যের ওপর নিজেকে এ বয়সে ছেড়ে দিয়েছেন অসহায় মানুষটি। লকডাউনের পর থেকে উপার্জনহীন এ বৃদ্ধাদের পেটপুড়ে খাওয়া জোটেনি। আর চেয়ারম্যান মেম্বারের চোখেও পড়েনি এর অসহায়ত্ব। সরকার খাদ্য সহায়তা দিলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জোটেনি তাদের কপালে। কলাপাড়া পৌরশহর থেকে আট কিলোমিটার দুরে তাদের বাড়ী বুধবার সকালে রশিদ ও জয়তুন বিবির বসতঘরের খোঁজে গেলে হন্তদন্ত হয়ে কী করবেন দিশা পাচ্ছিলেন না। জানালেন এখন দরকার তার খাদ্য সহায়তা। করোনার কারনে ভিক্ষা করতে পারেনা এজন্য তাদের ঘরে খাবার নাই। এখন তার ভরসা বোনের মেয়ে তারা ও আবার দরিদ্র। কে এই বৃদ্ধাদের কাছে পৌছে দেবেন খাদ্য সহায়তা তা জানেন না তারা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানালেন, আপনি নাম ঠিকনা নিয়ে আসুন তার বাড়িতে প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা পৌছে দেয়া হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!