রবিবার, ২৬ Jul ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন

কলাপাড়ার ৫ শ্রমিককে ঢাকায় তিন দিন আটকে নির্যাতনের অভিযোগ, আটক-৩
কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ ঢাকার চকবাজার থানা এলাকায় শামীম নামে এক ব্যক্তির সন্ধান জানতে চেয়ে কলাপাড়ার পাঁচ শ্রমিককে তিন দিন ধরে একটি বাসায় আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামের নুর আলম মৃধা’র ছেলে মোঃ নাসির মৃধা (৪০), পূর্ব টিয়াখালী গ্রামের মৃত আব্দুল আলী প্যাদা’র মাইনউদ্দিন (৪০), নীলগঞ্জ ইউনিয়নের উমেদপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার গাজীর ছেলে মো. মাসুদ রানা (২৮), একই গ্রামের মোঃ সালাউদ্দিন ফকির’র ছেলে মোঃ বিল্লাল হোসেন ফকির (২৮), একই গ্রামের মোঃ সালাউদ্দিন ফকির’র ছেলে মোঃ মাসুম বিল্লা ফকির ওরফে জাহাঙ্গীর (৩৬)।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. মাসুদ রানা বাদী হয়ে চকবাজার মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২১ জুলাই দুপুর থেকে ২৩ জুলাই সকাল পর্যন্ত চকবাজার থানাধীন হাজী বালু রোডের একটি বাসায় ভুক্তভোগীদের আটকে রাখা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, শ্রমিক সরদার টিয়াখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকারিয়া মল্লিক’র নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে শামীম নামে এক ব্যক্তির অবস্থান জানতে চাপ সৃষ্টি করেন। ভুক্তভোগীরা ওই ব্যক্তিকে না চেনার কথা জানালেও তাদের হাত-পা ও মুখ বেঁধে কাঠের বাটাম দিয়ে মারধর করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্যাতনের ফলে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে মো. নাসির মৃধার মাথা ও কাঁধে গুরুতর আঘাত লাগে এবং তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্য আহতরাও চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, স্থানীয় কেউ বিষয়টি টের পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে ২৩ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চকবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে মো. জাকারিয়া মল্লিক, মো. আল আমিন ও মো. সোহাগকে আটক করা হয় এবং নির্যাতনে ব্যবহৃত একটি কাঠের বাটাম জব্দ করা হয়। তবে অন্য আসামিরা পুলিশ আসার আগেই পালিয়ে যান।
বর্তমানে আহতদের মধ্যে ৩ জন কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply