কলাপাড়া হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে করতে অতিরক্ত টাকা নিচ্ছে শফিকুল | আপন নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
প্রবাহমান খাল বন্দোবস্থ বাতিলের দাবিতে আমতলীতে বি’ক্ষো’ভ পটুয়াখালী-৩ গলাচিপা-দশমিনায় প্রচারণায় এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন দেশি-বিদেশি শক্তি নির্বাচন বানচাল করতে চায়: সংবাদ সম্মেলনে ভিপি নুর আমতলীতে গাছের ডাল কাটতে গিয়ে ছিটকে পড়ে শ্রমিক নি’হ’ত কলাপাড়ায় অ’বৈ’ধ বালু উত্তোলন: ৫০ হাজার টাকা জ’রি’মা’না, কা’রা’দণ্ডের আদেশ কলাপাড়ায় ই’য়া’বা বিক্রির দায়ে দুই যুবকের কা’রা:দ’ণ্ড কলাপাড়ায় ১.৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন কলাপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশি ম’দ উ’দ্ধা’র, আ’ট’ক-৪ কলাপাড়ায় মসজিদের ইমামকে পি’টি’য়ে র’ক্তা’ক্ত জ’খ’ম মহিপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে গাঁ’জাসহ মা’দ’ক ব্যাবসায়ী আ’ট’ক
কলাপাড়া হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে করতে অতিরক্ত টাকা নিচ্ছে শফিকুল

কলাপাড়া হাসপাতালে ডিজিটাল এক্স-রে করতে অতিরক্ত টাকা নিচ্ছে শফিকুল

আপন নিউজ অফিসঃ কলাপাড়া হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে করতে অতিরক্ত টাকা দিতে হচ্ছে সাধারণ রোগীদের। অনেক সময় হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম বিভিন্ন অজুহাতে এক্স-রে করছে না, রোগীরা কোন উপায় না পেয়ে হাসপাতালের বাইরে থেকে এক্স-রে করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে মোটা অংকের কমিশন যাচ্ছে তার পকেট। সরকারি নিয়ম কারণ তোয়াক্কা না করে রোগীদের কাছ থেকে অতিরক্ত টাকা নিয়ে যাচ্ছে।

কলাপাড়া হাসপাতালের ডিজিটাল এক্স-রে করতে সরকারি নিয়ম হলো ২০০ টাকা অথচ তিনি এ নিয়ম তোয়াক্কা না করে ২৫০/৩০০ টাকা করে নিয়ে থাকে।

বুধবার (১৬ মার্চ) বেলা ১১ টায় সরেজমিনে ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার গ্রামগঞ্জে থেকে আসা সাধারণ রোগীরা এই হাসপাতালটিতে আসেন। এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে বাংলাদেশে সরকার কলাপাড়া হাসপাতালে ডিজিটাল এক্সরে যন্ত্র স্থাপন করেন। আর এই অঞ্চলের সাধারণ রোগীরা সরকারিভাবে এক্স-রে করাতে পেয়ে অনেক খুশি। অথচ সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা না করে হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়। কেউ প্রতিবাদ করলে এক্সরে করান না তিনি। রোগীরা কোন উপায় না পেয়ে হাসপাতালের বাইরে থেকে এক্স-রে করতে বাধ্য হয়। ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে মোটা অংকের কমিশন যাচ্ছে তার পকেট।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শফিকুল ইসলাম অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে, তবে ৩০০ টাকা না, ২৫০ টাকা করে নেয়া হয়। আপনার সাথে আমার ভালো সম্পর্ক, আপনি এ নিউজ করতে পারেন না।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলদার বলেন, এক্স-রে করতে ২০০ টাকা, এর বাইরে অতিরিক্ত কোন টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!