ভাড়ী বর্ষণে আমতলীর তরমুজ চাষীরা বিপাকে; তলিয়ে গেছে ক্ষেত | আপন নিউজ

শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কুয়াকাটায় টোয়াকের নবগঠিত কার্যনির্বাহী পরিষদের শপথ গ্রহণ ও দোয়া-ইফতার মাহফিল কুয়াকাটায় চলছে উপকূলীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা কলাপাড়ায় কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কলাপাড়ায় ঈদে ২৭ হাজার ৮৬৩ দুস্থ পরিবার পাচ্ছে উপহারের ভিজিএফ চাল কলাপাড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের মু’ক্তির দাবিতে মা’ন’ব’ব’ন্ধ’ন ও বি’ক্ষো’ভ কলাপাড়ায় রহমানিয়া মডেল মাদরাসার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় মৎস্যজীবী নেটওয়ার্কের দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় আ’গু’নে পু’ড়ে ছাই দুই বসতবাড়ি, ক্ষ’য়’ক্ষ’তি প্রায় ৪৮ লাখ টাকা কলাপাড়ায় ৩০০ গ্রাম গাঁ’জা উ’দ্ধা’র, যুবক আ’ট’ক
ভাড়ী বর্ষণে আমতলীর তরমুজ চাষীরা বিপাকে; তলিয়ে গেছে ক্ষেত

ভাড়ী বর্ষণে আমতলীর তরমুজ চাষীরা বিপাকে; তলিয়ে গেছে ক্ষেত

আমতলী প্রতিনিধিঃ তিন দিনের ভাড়ী বর্ষণে আমতলী উপজেলার তরমুজ চাষীরা বিপাকে পরেছেন। পানিতে তরমুজ ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এতে তরমুজ গাছ ও ফলন পচে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

জানাগেছে, উপজেলার এ বছর ৬ হাজার ২’শ ৪০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। চাষিদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এ বছর তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। গাছের বেশ ফলন ধরেছে। অনেক ক্ষেতের তরমুজ বড় হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে কাটার উপযোগী হয়েছে। কিন্তু গত তিন দিনের ভাড়ী বর্ষণে তরমুজ চাষিরা মহাবিপাকে পরেছে। বৃষ্টির পানিতে ক্ষেত তলিয়ে গেছে। কৃষকরা ক্ষেতের পানি নিস্কাশনের প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। বৃষ্টি আরো দুই একদিন স্থায়ীত্ব হলে তরমুজ গাছের গোড়ায় পানি জমে গাছ ও ফলন পচে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে জানান কৃষক আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার। এতে কৃষকরা মহাদুশ্চিন্তায় পরেছে। গাছ ও তরমুজ পঁচে গেলে উপজেলার চাষীদের অন্তত কয়েকশত কোটি টাকার লোকসান হবে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। পথে বসে যাবে হাজার হাজার কৃষক।

মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, বৃষ্টির পানিতে তরমুজ ক্ষেত তলিয়ে গেছে। কৃষকরা পানি নিস্কাশনে কাজ করছেন। তারা ক্ষেতের বেড কেটে দিয়েছেন।

উপজেলার চুনাখালী গ্রামের কৃষক আনসার মাদবর বলেন, ১৭ কানি জমিতে তরমুজ দিয়েছি। বৃষ্টির পানিতে তরমুজ ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এ নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় আছি। তিনি আরো বলেন, এ এলাকায় তরমুজ বেশ ভালো হয়েছিল। বর্তমান অবস্থায় এলাকার শত শত কৃষকের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সোনাখালী গ্রামের কৃষক বারেক গাজী বলেন, ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি নিস্কাশন করেও পারছি না। বৃষ্টি আরো হলে ব্যপক ক্ষতি হবে।

টেপুরা গ্রামের কৃষক মেহেদী হাসান বলেন, আল্লাহ ফলন ভালোই দিয়েছিল কিন্তু বৃষ্টিতে কি হয় জানিনা? তিনি আরো বলেন পানি সেচ দিতে ক্ষেত মেশিন লাগিয়েছি। বৃষ্টি আরো হলে গাছের গোড়ায় পানি জমে গাছ পঁচে যাবে।

কৃষক হানিফ হাওলাদার বলেন, গত দুই দিনের বৃষ্টিতে তেমন ক্ষতি হয়নি। কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলের বৃষ্টিতে ক্ষেত তলিয়ে গেছে। আল্লাই ভালো জানেন কি হয়? এ রকম ভাড়ী বৃষ্টি হলে গাছ ও ফলন পচে যাবে। চাষীদের পথে বসেত হবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার সিএম রেজাউল করিম বলেন, বৃষ্টিতে তরমুজ ক্ষেতের ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। কৃষকদের ক্ষেতের পানি নিস্কাশনের পরামর্শ দিয়েছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!