কলাপাড়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন | আপন নিউজ

শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:৫০ অপরাহ্ন

কলাপাড়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

কলাপাড়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

আপন নিউজ, কলাপাড়া অফিসঃ
নিজেকে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাফিজুর রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে  কলাপাড়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে হাফিজুর রহমানের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কাউন্সিল কমান্ড কলাপাড়া উপজেলা সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন বিপ্লব। জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত মুলক দাবি করে বলেন, ১৯৭১ সলে দেশের অস্থতিশীল অবস্থায় মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেই। এসময় আমার সহযোদ্ধা কলাপাড়া শহরের মরহুম আ: আজিজ, চাকামইয়া ইউনিয়নের মরহুম জালার তালুকদার, কলাপাড়া উপজেলা পরিষদেও সাবেক চেয়ারম্যান আ: মোতালেব তালুকদার, বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এসএম রাকিবুল আহসান এবং যুদ্ধ কালীন প্রশিক্ষন কেন্দ্রের কমান্ডার গলাচিপার সরদার জাহাঙ্গীর, লালুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম রেজাউল করিম বিশ্বাস, সাবেক অধ্যক্ষ নাজমূল হুদা সালে, সাংবাদিক হাবিবুল্লাহ রানা ও শাহ আলম তালুকদারসহ অনেকে ছিলেন। ১৯৭১ সালে গলাচিপার চর কাজলে মুক্তি যুদ্ধেও প্রশিক্ষন শেষে আমরা যুদ্ধেও জন্য প্রস্তুত হয়ে গলাচিপা শহরের পাশে অবস্থান নেই। সেখান থেকে খেপুপাড়া পাঠানো হয়। ২০০৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেয়ে আসছি। আমার বই নং ৪৮/ সোনালী ব্যাংক কলাপাড়া বন্দও শাখা। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় কর্তৃক প্রদেয় সাময়িক সনদ নং ম-৯৪০৮৫ (৩০/০৭/২০০৫), গেজেট নং ৭২৭। প্রকৃত পক্ষে লাইলী বেগমের বাবা মৃত হাফিজ মোল্লার বই নং- ৩১/বি, সময়িক সনদ পত্র নং- ১৫০৮৬৪। দুই বইয়ের মধ্যে কোন মিল নেই। তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, নাম ও পিতার একই হওয়ায় ২০১২ সালে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের নির্দেশে আমার ও  গলাচিপার অপর হাফিজ মোল্লার মুক্তিযোদ্ধার সনদ তলব করেন তৎকালীন পটুয়াখালী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আ: বারেক। দুই জনের মধ্য থেকে যাচাই বাচাই করে ভ’য়া মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেয়ার স্দ্ধিান্ত হয়।  এসময় মুক্তিযোদ্ধা খান মোশারেফ হোসেন, সাবেক জেলা কমান্ডার আ: হালিম, কলাপাড়া সাবেক কমান্ডার রেজাউল করিম বিশ্বাস যাচাই বাছাই শেষে আমার সনদ ফেরত দিয়ে আমার ভাতা চালু রেখে হাফিজ মোল্লার ভাতা বন্ধের নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসক। সেই থেকে আমি ভাতা উত্তোলন করে আসছি। বর্তমানে হাফিজ মোল্লার মেয়ে পরিচয়ে লাইলি বেগম আমাকে ও আমার পরিবার এবং কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের বিভিন্ন সময় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের  বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অভিযোগ করছেন। হাফিজুর মোল্লার বাড়ি কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে থাকলে কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদে তার কোন কাগজ পত্র কখনো ছিলনা এবং এখনও নেই। এই দুষ্ট চক্রের খপ্পরে পড়ে আমি ও আমার পরিবার মানসিক অসান্তি ভোগ করছি। এবং আমাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে হুমকী দিচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন,  কলাপাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদেও সাবেক কমান্ডার বদিউদ জ্জামান বন্টিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান  ও মুক্তিযোদ্ধা  আ: মোতালেব তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন মধু,  নাজমূল হুদা সালেকসহ ১৮ জন মুক্তিযোদ্ধা।  উল্লেখ্য গত ২৩ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হাফিজুর রহমানের মেয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন যে গেজেট নং ৭২৭ একই হওয়ায় জালিয়াতি  করে তার পিতার ভাতা  অপর হাফিজুর রহমান উত্তোলন করছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

Design By MrHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!