শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সংগঠনের নতুন কমিটি গঠন কলাপাড়ায় স্কুলে হঠাৎ ২৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলাপাড়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি; সন্তুষ্ট গ্রাহক রেডিয়েন্ট ইসলামিক মডেল স্কুলে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নি’হ’ত নৌসদস্যের সামরিক মর্যাদায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নৌবাহিনী শিপইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ মহিপুরে ১৭৫ পিস ই’য়া’বাসহ দুই মা দ ক ব্যবসায়ী গ্রে’প্তা’র পাখিমারায় রিও’র উদ্যোগে ‘উপকূল পাঠাগার’ কমিটি গঠন আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দ’খ’ল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মা ন ব ব ন্ধ ন

একেই বলে মানব সেবা

অনলাইন ডেস্কঃ 
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কালিয়াকৈর গ্রাম। যে গ্রামে টানা ৩২ বছর গরিব মানুষদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে গেছেন এড্রিক বেকার নামে এক ‘ডাক্তার ভাই’। যিনি ছিলেন নিউজিল্যান্ডের অধিবাসি। এদেশের মানুষকে ভালোবেসে তিনি সেবার পাশাপাশি জীবনের সবটুকুই দিয়েগেছেন।
জীবনের শেষ সময়ে ‘ডাক্তার ভাই’ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে অনেকেই চেয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকাতে নিয়ে যেতে। কিন্তু তিনি ঢাকা যেতে চাননি। তার শেষ ইচ্ছে ছিলো, তার তৈরি হাসপাতালেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করবেন। শেষ পর্যন্ত তার তৈরি করা হাসপাতালেই তিনি ২০১৫ সালে মারা যান। ‘ডাক্তার ভাই’র ইচ্ছে অনুযায়ি যেখানে তিনি থাকতেন সেই ঘরের বারান্দাতে মৃত্যুর পর সমাহিত করা হয় তাকে। তার আহ্বান ছিল এদেশের চিকিৎসকরাও যেনো সেবার মন নিয়ে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ান। মৃত্যুর পর তার হাসপাতালটি যেনো এদেশের চিকিৎসকরাই দেখাশোনা করেন। কিন্তু লজ্জার বিষয় তা আর হয়নি।
ডা. বেকার মারা যাওয়ার পর তার হাসপাতালের পরিচালনার জন্য সুদূর আমেরিকা থেকে ছুটে আসেন আরেক ডাক্তার দম্পতি জেসিন এবং মেরিন্ডি। বেকার জীবিত থাকা অবস্থায় জেসিন এই হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছিলেন। কিন্তু যখন ডা. বেকারের মৃত্যুর খবর শুনেন, তখন তিনি অস্থির হয়ে উঠেন। তবে বিভিন্ন ব্যস্তায় তখন আসতে পারেননি। অবশেষে নিজের দেশ আমেরিকা এবং সম্পদ ও সকল সুখ ত্যাগ করে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে চলে আসেন নতুন ডাক্তার ভাই। শুধু নিজেরা যে এসেছেন তা নয়। সঙ্গে তাদের সন্তানদেরও নিয়ে এসেছেন। বসবাস করছেন গ্রামের মাটির ঘরে, সন্তানদের ভর্তি করে দিয়েছেন গ্রামেরই স্কুলে। তারা গ্রামের শিশুদের সঙ্গে খেলছে।
এ দম্পতির চারটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। এ দৃশ্য উঠে এসেছে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে। এবারের পর্বে এটিই ছিল বিশেষ আকর্ষন। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় উঠেছে। জেসিন এবং মেরিন্ডির পরিবারের ছবি দিয়ে অনেকেই মন্তব্য লিখছেন নিজের ফেসবুক ওয়ালে। কেউ কেউ বলছেন- এ যেনো বাংলাদেশের মানুষের জন্য লজ্জা। একেই বলে মানব সেবা।
ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডাক্তার জেসিন কী সুন্দর করে লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আর গ্রামে জেসিন হয়ে উঠেন নতুন ‘ডাক্তার ভাই’। স্ত্রী মেরিন্ডিও হয়ে উঠেছেন নতুন ‘ডাক্তার দিদি’। তারা দুজন নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!