আমতলীতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে তিন পরিবারের ৮ শিশু ও নারী হাসপাতালে | আপন নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় ঢাবি অ্যালামনাইদের মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল কলাপাড়ায় সিপিপি ও ডব্লিউডিএমসি সদস্যদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় “নবজাগরণ” উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে সেহরি ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ আমতলীতে হ’য়’রা’নী করতে ২২ পৌর নাগরিকের ভু’য়া স্বাক্ষরে অভিযোগ আমতলীতে হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২৬ পালিত কলাপাড়ায় ইসলামিয়া হাসপাতালের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কলাপাড়ায় ইয়া’বা সে’বনের অপ’রা’ধে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার এক মাসের কা’রা’দণ্ড কলাপাড়ায় ইউনাইটেড-১৯ ব্যাচের শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন
আমতলীতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে তিন পরিবারের ৮ শিশু ও নারী হাসপাতালে

আমতলীতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে তিন পরিবারের ৮ শিশু ও নারী হাসপাতালে

আমতলী প্রতিনিধিঃ দুর্বৃত্ত্বদের নেশা জাতীয় দ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে তিন পরিবারের ৮ শিশু ও নারী পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার বেতমোর গ্রামে বুধবার রাতে।

জানাগেছে, উপজেলার বেতমোর গ্রামের ব্যবসায়ী নাশির তালুকদারের ঘরে দুর্বৃত্ত¡রা খাবারের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য দেয়। মঙ্গলবার রাতে ওই খাবার খেয়ে তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিন, পুত্রবধু লামিয়া ও নাতি ফাহিম হোসাইন জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। নাশির তালুকদার রাত ১০ বাড়ী ফিরে তার ঘরের সকলকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়। দ্রুত স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ওই রাতেই একই গ্রামের আতাউর রহমানের ঘরের খাবারে দুর্বৃত্ত¡রা নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে রাখে। ওই খাবার খেয়ে একই অবস্থায় ইয়াসমিন, সাফা ও সারিফা অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাদেরকে বৃহস্পতিবার সকালে স্বজনরা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। ওই হাসপাতালের কর্তৃব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মেহেরীন আশ্রাফ তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেছে। এ ঘটনার একদিন আগে মঙ্গলবার রাতে একই গ্রামের লোকমান তালুকদারের ঘরের খাবারে দুর্বৃত্ত্বরা নেশা জাতীয় দ্রব্য দেয়। ওই খাবার খেয়ে হাজেরা খাতুন ও রাবেয়া বেগম জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তাদেরকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা সবাই পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অসুস্থ্য লামিয়া বলেন, ঘরের পাতিলে রেখে দেয়া দুধ খাওয়ার পরপরই পরিবারের আমরা তিনজন অসুস্থ্য হয়ে পরেছি। এরপর কি হয়েছে জানিনা?
নাশির তালুকদার বলেন, দুর্বৃত্ত¡রা ঘরের খাবারের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে রেখে গেছে। ওই খাবার খেয়ে আমার পরিবারের তিনজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। একই ভাবে আমার দুই প্রতিবেশী পরিবারের ৬ জন জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেহেরীন আশ্রাফ বলেন, অসুস্থ্যদের পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে খাবারের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়ায় এ অবস্থা হয়েছে।

আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়েছি। রহস্য উদঘাটন করে দ্রুত দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!