শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন

আপন নিউজ অফিসঃ কলাপাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া পটুয়াখালীতে আরও ৬জনসহ আহত অনেকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। শনিবার দুপুরে উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের রামাইখাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দল সভাপতি কবির হোসেন (৪৫), যুবদল নেতা জামাল ডাক্তার (৪৮), হোসেন মোল্লা (৪১), বশির হাওলাদার (৫০), ছাত্রদল কর্মী ইব্রাহিম হাওলাদার (১৯), ওমর ফারুক (২৮), জেলে মাসুদ মাতুব্বর (৩৮), শ্রমিক দলের রাকিব মিয়া (২৮) কে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাবনাবাদ নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে ওই এলাকার জেলেসহ অনেক মানুষ। কিন্তু ওই ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারন সম্পাদক মাহতাব মিয়া নদীর বিশাল এলাকা জুড়ে খুটা জাল পেতে রাখে। এতে দীর্ঘদিন ধরে অন্যান্য জেলেদের মাছ শিকারে সমস্যা হয়।এর জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যার পর মাহতাব ও স্বপন খান কলাপাড়া থেকে বাড়ি ফেরার পথে রামাইখাল এলাকায় বসে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন। এর জন্য একই দলের ফযসাল মুন্সী ও রাজমনিকে দায়ী করেন মাহতাব। এসময় স্বপন খানকে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এর জের ধরে শনিবার সকাল দশটার দিকে একই এলাকায় ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল নেতা ফয়সাল মুন্সী, ৩ নং ওয়ার্ড কৃষকদলে সাধারন সম্পাদক রাজমনিকে মারধর করেন প্রতিপক্ষরা। পরে বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দুপুরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মাসুম বিল্লাহ ঘটনাস্থলে পৌছলে মাহতাব গ্রুপ ও ইউনিয়ন কৃষদলের নেতা ফয়সাল মুন্সী গ্রুপ ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়ে যায় । এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়। চম্পাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মাসুম বিল্লাহ জানান, মূলত সাধারণ জেলের নাম করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালায়।
কলাপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com
Leave a Reply